Showing posts with label সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (এসইও). Show all posts
Showing posts with label সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন (এসইও). Show all posts

Thursday, December 20, 2012

গিগা টিউন: ব্লগস্পট এবং ওয়ার্ডপ্রেস এসিও

আমরা অনেকেই ব্লগস্পট এবং ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করি কিন্তু এসিও না করার ফলে আমাদের ব্লগস্পট বা ওয়ার্ডপ্রেস গুগল এ সার্চ দিলে খুঁজে পাওয়া যায় না এবং গুগল প্রথম পেজ এ নিয়ে আসাও সম্ভভ হয় না।আমি আজ আপনাদের খুব সহজে ব্লগস্পট এবং ওয়ার্ডপ্রেস এসিও করে দেখাবো যাতে আপনারা খুব সহজে এসিও করতে পারেন এবং আপনাদের ব্লগস্পট কে গুগল সার্চ এ প্রথম পেজ এ আনতে পারেনআমরা কয়েক ধাপে ব্লগস্পট এসিও শেষ করবোওয়ার্ডপ্রেস এসিও করা খুব সহজ।ব্লগস্পট এসিও করতে পারলে ওয়ার্ডপ্রেস খুব সহজেই এসিও করতে পারবেন




প্রথম কাজ

১. গুগল ভেরিফিকেশন,ফিড তৈরী,গুগল এনালাইসিস এর জন্য আপনার জিমেইল একাউন্ট থাকলে সরাসরি আপনার ইমেল দিয়ে লগিন করুন।জিমেইল এ একাউন্ট না থাকলে একটা একাউন্ট খুলে নিন

২. বিং ভেরিফিকেশন এর জন্য আপনার হট মেইল দিয়ে লগিন করুন ,হট মেইল না থাকলে হট মেইল এ একটা একাউন্ট খুলে নিন

সাইট মাপ তৈরী

আমাদের ব্লগস্পট এর জন্য প্রথমে একটি সাইট মাপ তৈরী করবো।আর সাইট মাপ সবচেয়ে ভালো তৈরী করে দেয় এই ওয়েবসাইট টি। প্রথমে এই ওয়েবসাইট এ যান এবং URL লিখার জায়গায় আপনার ব্লগস্পট এর ঠিকানা দিন এবং স্টার্ট এ ক্লিক করুন



আমাদের সাইট মাপ তৈরী হয়ে গেলো
।এখানে আমার সাইট মাপ এর ঠিকানা http://cj-bd.blogspot.com/sitemap.xml, আপনারও এই রকম একটি সাইট মাপ তৈরী হয়ে যাবে।নিচের ছবি টি লক্ষ্য করুন,লাল ইন্ডিকেট করা ঘরের মধ্যে ওটাই আপনার সাইট মাপ এর ঠিকানাএই সাইট মাপ এর লিঙ্ক টা গুগল ওয়েবমাস্টার এবং বিং ওয়েবমাস্টার এ সাবমিট করতে হবে।XML ফাইল টা ব্লগের মেটা টাগ এ বসানোর প্রয়োজন নেই কারণ ব্লগের মেটার ভিতর ১৫০ শব্দের বেশি বসানো যায় না তাই আমরা সাইট মাপ টা ব্লগে না বসিয়ে নিচের ধাপে চলে যাবো




গুগল ভেরিফিকেশন

এখন আপনার সাইট মাপকে গুগল এ সাবমিট করতে হবে যাতে আপনার সাইট গুগল খুঁজে পায়।এজন্য আপনাকে গুগল ওয়েবমাস্টার এ লগিন করতে হবে।লগিন করে আড্ সাইট এ ক্লিক করুন এবং আপনার ব্লগস্পট এর ঠিকানা দিন



এখন গুগল এইচটিএমএল এর কোডটি আপনার ব্লগের মেটা টাগ(আপনার ব্লগের সেটিং এর সার্চ পারফমেন্স এ ক্লিক করলে মেটা বসানোর ঘর/জায়গা পাবেন এখানেই আপনার মেটা টাগ গুলো বসাতে হবে।)এর ভিতরে বসিয়ে দিন

তারপর ৩ নং এর কনফার্ম এর লিঙ্কটিতে ক্লিক করুন এবং সবশেষে ভেরিফাই এ ক্লিক করুন।বাস আপনার ব্লগস্পট ভেরিফিকেশন হয়ে গেলো



এখন অপটিমাইজেশন এর সাব মিনু সাইট মাপ এ ক্লিক করুন এবং আপনার সাইটমাপ এর ঠিকানা দিন।বাস গুগল ওয়েবমাস্টারের কাজ শেষ



বিং ভেরিফিকেশন

গুগল এর মতো করে আমরা এখন বিং ভেরিফিকেশন করবো।এজন্য আপনাকে বিং ওয়েবমাস্টার এ লগিন করতে হবে।এখন আড্ সাইট এ আপনার ব্লগস্পট এর ঠিকানা দিন এবং আড্ এ ক্লিক করুন




পরের স্টেপ এ আপনার সাইট মাপ এর ঠিকানা দিন এবং পুনরায় আড্ এ ক্লিক করুন


এখন ভেরিফিকেশন করার পালা,এজন্য আপনাকে ভেরিফাই নাও এ ক্লিক করতে হবে
এখন ২ নং এর কোড টি আপনার ব্লগস্পট এর মেটা টাগ(আপনার ব্লগের সেটিং এর সার্চ পারফমেন্স এ ক্লিক করলে মেটা বসানোর ঘর/জায়গা পাবেন এখানেই আপনার মেটা টাগ গুলো বসাতে হবে।)এর মধ্যে বসিয়ে দিন এবং ভেরিফাই এ ক্লিক করুন বাস আপনার বিং ভেরিফিকেশন ও হয়ে গেলো



ব্লগস্পট সাবমিট এবং ভেরিফিকেশন এর কাজ শেষ


মেটা টাগ তৈরী

ব্লগস্পটে যেয়েতু ১৫০ শব্দ এর বেশি মেটা টাগ এ বসানো যায় না তাই আমরা ছোট করে মেটা টাগ তৈরী করবো।আপনার ব্লগের সেটিং এর সার্চ পারফমেন্স এ ক্লিক করলে মেটা বসানোর ঘর/জায়গা পাবেন এখানেই আপনার মেটা টাগ গুলো বসাতে হবে
<html>
<head> 
<title>"এখানে আপনার ব্লগস্পট এর টাইটেল দিন"</title>
 <meta name="keywords" content="এখানে কমা দিয়ে দিয়ে আপনার কি ওয়ার্ড গুলো বসান ">
</head>
</html>





বেশি কিছু বসবেন না সবকিছু মিলে যেনো ১৫০ শব্দের বেশি না হয় ,বেশি হলে কি ওয়ার্ড কিছু কমিয়ে দিন। ইচ্ছা করলে আপনারা এখান থেকে অথবা এখান থেকে মেটা বানিয়ে নিতে পারেন

রোবট টেস্ক তৈরী

রোবট টেস্ক খুব সাবধান ভাবে তৈরী করতে হবে এখান থেকে রোবট টেস্ক ক্রিয়েট/তৈরী করুন।সুধু মাত্র আপনার সাইট মাপ এর ঠিকানা দিন এবং ক্রিয়েট রোবট টেস্ক এ ক্লিক করুন।এখন আপনার তৈরী রোবট টেস্ক আপনার ব্লগস্পট এর কাস্টম রোবট টেস্ক বসান এবং সেভ করুন





ব্লগস্পট এনালাইসিস

এখন আপনার ব্লগস্পট এর ভিসিটর এর সংখা এবং আরো অনন্য কিছু দেখার জন্য গুগল এনালাইসিস এ লগিন করুন এবং আপনার ব্লগস্পট আড্ করে দিন তারপর আপনার এনালাইসিস কোড টি ব্লগস্পটে বসিয়ে দিনএনালাইসিস কোড টি ভেরিফিকেশন করে নিবেন


ফিড তৈরী

এবার আমরা গুগল ফিড বার্নার থেকে ফিড তৈরী করবো।প্রথমে গুগল ফিড বার্নার এ লগিন করুন এবং আপনার ব্লগস্পট এর জন্য ফিড তৈরী করুন










ফীড তৈরী হলে আপনার ফিড টি আপনার ব্লগস্পটে সাইট ফিড এ বসিয়ে দিন।বাস কাজ শেষ







ওয়ার্ডপ্রেস এসিও

ওয়ার্ডপ্রেস এ সুধু গুগল এবং বিং ভেরিফিকেশন করলেই হয়ে যাবে।আর কোনো ঝামেলা নাই

নিচের ধাপগুলো দেখুন:এখানে সর্ট কার্ট ভাবে দেওয়া হলো।বিস্তারিত ব্লগস্পট এসিও তে দেখুন

১. সাইট মাপ তৈরী করুন
২. গুগল ওয়েবমাস্টারে আপনার সাইট লিঙ্ক/ওয়ার্ডপ্রেস এর ঠিকানা এবং সাইট মাপ সাবমিট করুন এবং ভেরিফিকেশন করুন 
৩. বিং ওয়েবমাস্টারে আপনার সাইট লিঙ্ক/ওয়ার্ডপ্রেস এর ঠিকানা এবং সাইট মাপ সাবমিট করুন এবং ভেরিফিকেশন করুন

ফ্রী ওয়ার্ডপ্রেস এ এর চেয়ে বেশি কিছু করা যায় না।প্রিমিয়াম ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করলে ব্লগস্পট এর মতো করে এসিও করতে পারবেন।এছারাও বিভিন্ন এসিও প্লাগিন ব্যবহার করতে পারবেন।এক্ষেত্রে সাইটম্যাপ এর ফাইল টা আপনার হোস্টিং এর সার্ভার এ আড্ করতে হবে।এবং মেটা টাগ-থিম কাস্টমাইজ এ গিয়ে হিডার পিএচপি এর মধ্যে বসাতে হবে



শেষ প্রক্রিয়া: লিঙ্ক বিল্ডিং

এখন আমরা বিভিন্ন ভাবে আমাদের ব্লগ সাইট এর ভিসিটর বাড়াবো এবং গুগল এর প্রথম পেজ এ নিয়ে আসবো।এজন্য আপনি নিচের কাজ গুলো করবো

১.আপনি বিভিন্ন ব্লগ সাইটে টিউন/পোস্ট লিখুন এবং শেষে আপনার ব্লগস্পট এর ঠিকানা দিয়ে দিন।এতে আপনার ব্লগে ভিজিটর বাড়বে

২.এছারাও আপনার ব্লগস্পট এর ঠিকানা ফেইসবুকটুইটারপিন্টারেস্টলিঙ্কেডিন ইত্যাদি সোসাল সাইটে শেয়ার করুন

৩.বিভিন্ন ওয়েবসাইট,ব্লগসাইট,ফোরাম সাইট এ কমান্ট করুন যেখানে কমান্ট করতে একাউন্ট খোলা লাগে না শুধু ওয়েবসাইট এর ঠিকানা দিয়েই কমান্ট করা যায়।এক্ষেত্রে আপনি কমান্ট করার জন্য Blogspot এবং Wordpress কে বেছে নিতে পারেন


অনেক কষ্ট করলেন তাই না?আর করতে হবে না।১ মাস পরে দেখুন আপনার ব্লগস্পট গুগল এর প্রথম পাতায় চলে এসেছে


এসিও তো শিখলেন,এবার আয় করুন

এখন ধরা যায় আপনি যেকোনো এসিও এর কাজ করতে পারবেন।ভাবার কিছুই নেই! ওডেস্কফ্রীল্যান্সারইলান্স এ অনেক এসিও এর কাজ আছে যা আপনি ইচ্ছা করলেই করতে পারেনএসিও এর কাজে বিড করুন এবং আপনার সাইট যে আপনি গুগল এর প্রথম পেজ এ এনেছেন তার প্রমান বায়ারকে দিন এবং কাজ জিতে নিয়ে করা শুরু করুন
Read More

Thursday, December 6, 2012

ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরির জন্য ১৫টি জরুরী প্লাগইন

কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমগুলোর মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করা বর্তমানে অনেক জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে। আর জনপ্রিয়তার শীর্ষে যে ওয়ার্ডপ্রেস রয়েছে িএকথা সবারই জানা। ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে এমন কোন ওয়েবসাইট নেই যা তৈরি করা সম্ভব নয়। ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরির ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরী বিষয় হচ্ছে ওয়েবসাইটের জন্য জরুরী কতগুলো প্লাগইন ইন্সটল করা। কেননা, সঠিক প্লাগইনগুলো যদি ইন্সটল না করেন তবে আপনার ওয়েবসাইট নানা দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনই কয়েকটি প্লাগইনের তালিকা আজকে তুলে ধরা হলোঃ

১. Akismet
(এই প্লাগইনটি সাধারণত ওয়ার্ডপ্রেসের প্লাগইন লিস্টে অটোমেটিক প্রদান করা থাকে। এটি আপনার ওয়েবসাইটে স্পামিং বন্ধ করতে সহায়তা করবে।  আপনাকে যেটি করতে হবে তা হলো এটিকে ইন্সটল করতে হবে এবং ইন্সটল করার পর আপনাকে API Key দিতে হবে। এই Key টি নিতে হলে এখানে ক্লিক করেন)

২. All in One SEO Pack
(এই প্লাগইনটি আপনার সা্ইটের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে সহায়ক হবে। প্লাগইনটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

৩. Contact Form 7
(এই প্লাগইনটির মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে একটি যোগাযোগ ফরম ব্যবহার করতে পারবেন যার মাধ্যমে আপনার ভিজিটর আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারবে। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

৪. Contact Info Options
(এর মাধ্যমে আপনি ওয়ার্ডপ্রেসের ব্যবহারকারীদের প্রোফাইল থেকে AIM, Yahoo IM এবং Jabber/Google এগুলো বাদ দিয়ে টুইটার, ফেইসবুক এবং গুগল+ ইত্যাদি আইডি যোগ করাতে পারবেন। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

৫. Email subscription
(এর মা্ধ্যমে আপনার উইজেটে ই-মেইল সাবস্ক্রিপশনের অপশন যোগ করতে পারবেন যার ফলে আপনার সাবস্ক্রাইবাররা আপনার নতুন পোস্টের ব্যাপারে তাদের মেইলের মাধ্যমে জানতে পারবে। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

৬. Facebook, Twitter & Google+ Social Widgets 
(আপনার প্রত্যেক পোস্ট এবং পৃষ্ঠার উপরে বা নিচে ফেইসবুক, টুইটার এবং গুগল+ এ শেয়ার করার লিংক যুক্ত করতে পারবেন। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

৭. Google Analyticator 
(আপনার ওয়েবসাইটের প্রতিদিনের ভিজিটরের বৃত্তান্ত জানুন এটির মা্ধ্যমে। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

৮. Google XML Sitemaps 
(গুগল, ইয়াহু, আস্ক এবং বিং সার্চ ইঞ্জিনে আপনার সাইটের সাইটম্যাপ সাবমিট করুন। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

৯. Quick Cache
(আপনার সাইটের লোডিং স্পিড বাড়ানোর জন্য একটি অন্যতম ক্যাচ প্লাগইন। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

১০. SEO Facebook Comments
(আপনার প্রত্যেক পোস্টের শেষে ফেইসবুক থেকে মন্তব্য করার অপশন যোগ করুন। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

১১. Social Login for wordpress 
(সামাজিক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনার ওযেবসাইটে লগইন/রেজিস্টার করার অপশন যোগ করুন। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

১২. User Photo 
(আপনার ওয়েবসাইটের ব্যবহারকারীরা তাদের প্রোফাইলে ছবি যোগ করার সুবিধা পাবেন এই প্লাগইনটির মাধ্যমে। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

১৩. WP-Polls 
(ওয়েবসাইটে ভিজিটরদের বিভিন্ন বিষয়ে মতামত/জরিপ নিতে চাইলে এই প্লাগইনটি উপযুক্ত। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

১৪. WP Sidebar Login 
(আপনার ব্যবহারকারীরা এই প্লাগইনটির মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে লগইন/রেজিস্টার করার সুযোগ পাবেন। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

১৫. WP Grins 
(এই প্লাগইনটির মাধ্যমে প্রত্যেক পোস্টের কমেন্ট বক্সের উপরে ইমোটিকন থাকবে যেগুলোতে ক্লিক করলেই মন্তব্যের ঘরে ইমোটিকন যুক্ত হবে। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

ব্যস! িএই প্লাগইনগুলো ইন্সটল করুন এবং ৈতৈরি করুন  একটি আকর্ষণীয় ওয়েবসাইট।
Read More

Friday, November 23, 2012

আর্টিকেল রাইটিং (Article Writing) এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে আয় করুন


ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আর্টিকেল রাইটিং (Article Writing) এর প্রচুর কাজ পাওয়া যায়। আর্টিকেল রাইটিং (Article Writing) এর কাজ করার বড় সুবিধা হল যে, এই কাজের রেট মোটামুটি ভাল এবং এই কাজ করার জন্য দক্ষ প্রতিযোগি কম ফলে সহজেই বিভিন্ন ফ্রীলানন্সিং মার্কেটপ্লেসে বিড করলেই এই কাজ পাওয়া যায়। নিচে আর্টিকেল রাইটিং পদ্ধতি এবং আর্টিকেল রাইটিং এর বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

Buyer এর requirement:
   Ø আর্টিকেল অবশ্যই Unique হতে হবে।
   Ø আর্টিকেল Copyscape passed হতে হবে (plagiarism pass)।
   Ø Article must be Suitable to read.
   Ø SEO Friendly আর্টিকেল হতে হবে।
   Ø আর্টিকেলের Keyword Density 2-4 % হতে হবে। Buyer চাইলে keyword গুলোকে bold / Italic করে দেখাতে হবে।
   Ø Paragraph/Article size 200-300 অথবা 400-500 word হতে হবে।
   Ø আর্টিকেলে অবশ্যই Title দিতে হবে। Buyer যদি Subtitle চায় তাহলে তাও দিতে হবে। যেমনঃ গরুর রচনায় TITLE হল “গরু” আর SUB-TITLE হল “সুচনা, বর্ণনা, উপকারিতা, উপসংহার” ইত্যাদি।


প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারঃ
   Ø Dupe free Pro software.
   Ø Word web.
   Ø Note pad.
   Ø MS Word.
   Ø File Format Converter.


কার্যপদ্ধতিঃ

ধাপ-১: Buyer যে subject এর জন্য Article লিখতে বলবে প্রথমেই সেই Subject/Article এর Keyword দিয়ে Google(www.google.com) এ search দিতে হবে। সেখান থেকে একটি ভালমানের Article নিয়ে Notepad এ রাখতে হবে।

গুগল ছাড়াও আরও অন্যান্য ওয়েবসাইটে উন্নত মানের আর্টিকেল পাওয়া যায়। যেমনঃ
   v http://ezinearticles.com
   v http://articlesfactory.com
   v http://www.article-generator.com

ধাপ-২: এখন Notepad থেকে Article টিকে নিয়ে এই ওয়েবসাইট (www.freearticlespinner.com) থেকে স্পিন করতে হবে। স্পিন করলে আর্টিকেল 50% Unique হবে আর 50% Duplicate থাকবে অর্থাৎ অর্ধেক Unique হবে আর অর্ধেক Duplicate থাকবে।

বি.দ্রঃ www.freearticlespinner.com ওয়েবসাইটটি ছাড়াও আরও বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে যারা আর্টিকেল স্পিন করে দেয়। এছাড়াও আর্টিকেল স্পিন করার জন্য ইন্টারনেটে অনেক ফ্রী সফটওয়্যারও পাওয়া যায়।

ধাপ-৩: এখন Dupe free Pro Software এর Article-1 অংশে মূল Search দেয়া Article টিকে এবং Article-2 অংশে স্পিন করা Article টিকে রেখে [ Compare ] অংশে Click করতে হবে এবং প্রতিবারে এই [ Compare ] অংশে ক্লিক করে দেখতে হবে যে 0% Duplicate হয়েছে কিনা। Word Web সফটওয়্যারের সাহায্যে Synonym পরিবর্তনের মাধ্যমে Article টিকে 0% Duplicate করতে হবে। এজন্য Color দিয়ে Mark করা অংশে Ctrl+Right Mouse Click করলে অনেক গুলো Synonym আসবে, সেখান থেকে সঠিক Word নির্বাচন করে 0% Duplicate করতে হবে। আর্টিকেল ইউনিক করার পাশে পাশে খেয়াল রাখতে হবে যেন আর্টিকেলটি সহজে পড়া যায়।

ধাপ-৪: এবার 0% duplicate করা Article টিকে নিয়ে www.gramarly.com website এ গিয়ে Article টির grammar + Uniqueness check করতে হবে।

 এছাড়াও আরও অন্যান্য ওয়েবসাইটের মাধ্যমে Grammar এবং Uniqueness বা Plagiarism বা Duplicate content check করা যায়। যেমনঃ
   v www.gramarly.com
   v www.spellchecker.com
   v www.spellcheckplus.com
   v www.copyscape.com
   v www.plagiarismchecker.com
   v www.searchenginereports.net/articlecheck.aspx

ধাপ-৫: Buyer চাহিদা অনুযায়ী আর্টিকেল তৈরি হয়ে গেলে অবশেষে Notepad, MS Word বা PDF ফাইলে করে আর্টিকেলটি Send করতে হবে। যদি অনেক গুলো আর্টিকেল হয় তাহলে একটি ফোল্ডারে সব আর্টিকেল রেখে জীপ (ZIP) সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফোল্ডারকে জীপ করে Buyer কে সেন্ড করতে হবে।


vØ একটি আর্টিকেলকে Search করে এনে স্পিন, ডুপি-ফ্রি এবং ওয়ার্ড-ওয়েব সফটওয়্যার এর মাধ্যমে Unique আর্টিকেল তৈরি করা হয়। তারপর বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আর্টিকেলের গ্রামার এবং ইউনিকনেস চেক করা হয়। একটি আর্টিকেল এর সঠিক কী-ওয়ার্ড, আর্টিকেলের টাইটেল + সাব-টাইটেল, কী-ওয়ার্ড ডেনসিটি, ইউনিকনেস এবং আর্টিকেলটি সহজে পড়া গেলে তা User Friendly & SEO Friendly আর্টিকেলে রূপান্তরিত হয়।



যে কোন ধরনের তথ্য / অনুসন্ধানের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
আপনার উন্নতি ও সফলতাই আমাদের একান্ত কাম্য।

 *** ধন্যবাদ ***
Read More

Sunday, October 28, 2012

গুগল পাণ্ডা বধ ও এর সকল সমস্যা সমাধান একসাথে। পাণ্ডাকে নিয়ে মাথা ঠাণ্ডা রাখেন

সবাই কেমন আছেন? আশা করছি ভালো আছেন সবাই। আজ আবার ও গুগল পাণ্ডা নিয়ে লিখতে বসলাম, আজ আমি আপনাদেরকে বলবো কিভাবে এই  পাণ্ডার হাত থেকে আপনার ওয়েব সাইট কে রক্ষা করবেন, কি কি বিষয় বা কৌশল এখন ও কাজ করছে ইত্যাদি। তো চলুন শুরু করা যাক
গত টিউনে আমি গুগল পাণ্ডা কি , এর ভার্সন বা আপডেট সম্পর্কে বলেছেলাম। যারা মিস করেছেন তারা দেখে নিতে পারে।

যেসকল কারণে আপনার ওয়েব সাইট পাণ্ডার কিক খেতে পারে

আশা করি কেউই চাইবেন না পাণ্ডার কিক খেয়ে রেংক হারাতে। গুগল পাণ্ডা আপনাকে তখনই কিক মারার জন্য প্রস্তুতি নিবে যখন নিচের বিষয় গুলো আপনার ওয়েবসাইট এ থাকবে, তো দেখে নিই কি কি বিষয় আপনার ওয়েবসাইটকে দুর্বল করে দিতে পারে।
১. খুবই অল্প পরিমাণের অরজিনিয়াল কন্টেন্ট থাকলে,
২. নিম্নমানের ও খুব কম ইনবন্ড লিংক আপনার সাইট এ থাকলে
৩. বাউন্স রেট বেশি হলে বা ভিজিটরা কম সময় সাইট  ভিজিট করলে
৪. সর্বচ্চো পরিমানের % কপি- পেস্ট কন্টেন্ট থাকলে,
৫.  অনেক পেজ ওয়েবসাইট এ কিন্তু কাজের পোস্ট একটাও নাই , মানে সব ই আপনার ওয়েবসাইটের বিষয়ের সাথে মিল নেই।
৬. আজে বাজে শব্দ দ্বারা পূর্ণ ওয়েব সাইট
৭. অধিক মাত্রায় অবাঞ্ছনীয় ব্যাক লিংক থাকলে।

 যেভাবে গুগল পাণ্ডাকে বধ করবেন।

গত টিউনে আসিফ ভাইয়া একটা কমেন্ট করেছিলে। সেখানে আসিফ  ভাইয়া বলেছেন “পান্ডা আসলে, সার্চ কোয়ালিটি আপডেট” আমি ও উনার কথার সাথে মিল রেখে বলতে চাই যদি আপনি গুগল পাণ্ডা কে বধ করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার সাইটকে এমন ভাবে আপডেট করতে হবে যাতে করে সেটি এই সার্চ কোয়ালিটির আপডেটের মধেই থাকে। তো গুগল পাণ্ডাকে টপকে উপরের দিকে যেতে হলে আপনাকে যা যা করতে হবে তার মধ্যে রয়েছে।

 ১. স্প্যামিং ব্যাক লিংক  থেকে সাবধানঃ

একটা সময় ছিল যখন কোন সাইটকে ১ম এ নিয়ে আসতে গেলে, সবাই কন্টেন্ট এর চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিত লিংক বিল্ডিং এ। তা অবশ্য অনেক কাজেও আসতো। তাইতো সব্বাই মিলে যেভাবেই পারত নিজের ওয়েব সাইট কে প্রথমে নিয়ে আসার জন্য ফোরাম প্রোফাইল লিংকিং, স্প্যামিং ব্লগ কমেন্টিং , একই এঙ্কর টেক্স বার বার ব্যবহার করা ইত্যাদি কাজ করত। যার মধ্যে ৭০% ই থাকতো স্পামিং, অর্থাৎ আপনার ওয়েব সাইটের বিষয়ের সাথে আপনার ব্যাক লিংক করা ওয়েব সাইটের কোন মিল ই থাকতো না।কিন্তু গুগল পাণ্ডা আপডেট আসার পর এই কৌশল দিন দিন পড়তে শুরু করেছে। তাই ব্যাক লিংক করুন কোয়ালিটির জন্য কোয়ানটিটি (পরিমাণ) এর জন্য নয়।

 ২. কন্টেন্ট লিখতে সাবধানঃ

সব্বাই বলে “Content Is King” , কিন্তু এখন গুগল পাণ্ডার কাছে “unique Content Is a King” । তাই যেভাবেই হয় একদম ইউনিক কন্টেন্ট লিখুন, পাকনামো করে আবার “Article Spinning “  করতে গেলে হিতে বিপরীত হয়ে যাবে। কারন গুগল এখন স্পিনিং কন্টেন্ট ও ধরে ফেলতে পারে। কন্টেন্ট লেখার সময় অবশ্যই অন-পেজ অপটিমাইজেশন এর দিকে খেয়াল রাখতে হবে। না হলে আপনার কাঙ্ক্ষিত ফলাফল নাও পেতে পারে।
যতটা সম্ভব কনটেন্টকে আপনার ওয়েব সাইটের সাথে মিল রাখার চেষ্টা করেন। এক পোস্ট যেন বার বার না আসে সেই দিকেও খেয়াল রাখতে হবে।
আর কপি পেস্ট…………………। ডু-ল্যান্সার এর মত ১০০ হাত দূরে থাকুন :D

৩. সাইট ডিজাইনে হন আরও সতর্কঃ

আমরা অনেকই সাইট ডিজাইনের সময় কিছু কিছু বিষয় গুলো ভুলে যায়, যেমন আপনি যে থিম বা টেম্পলেট ব্যাবহার করছেন অদ্য ও কি সেটা এসইও ফ্রেন্ডলি? ন্যাভিগেশন বার কেমন আপনার ওয়েবসাইট এ? এমন কিছু কি আছে যা আপনার ওয়েব সাইটকে সুন্দর করার জন্য করেছেন, যার জন্য গুগল বট আপনাকে হাজার চেষ্টা করেও ইনডেক্স করতে পারে নাই?
যদি এসব আপনি না ভেবেই সাইট এ হাজার হাজার কন্টেন্ট, ব্যাক লিংক করেন তাহলে কোন লাভ ই হবে না, তাই সাইট ডিজাইনের অবশ্যই সতর্ক হতে হবে, যেমন
১. যে  থিম বা টেম্পলেট ব্যাবহার করছেন সেটাতে কি কি ধরনের কোড ব্যাবহার হয়েছে,
২. সাইট সুন্দর করার জন্য CSS কে ভালভাবে ব্যাবহার করুন।
৩. H1, H2 <b>, ul, il এদেরকে চেষ্টা করবেন সবসময় ক্লিন রাখার জন্য, যেমন <h2> This is Headline </h2> এটির  কার্যকারিতা <h2 class=”css”> This is Headline</h2> এর চেয়ে বেশি।
৪. আমার মতে ভালো থিমের স্ট্রাকচার হল
  • META
  • Body
  • Navigation
  • Main Article Body
  • Sidebar
  • Others
  • Footer

যেমনঃ

<html>
<– Start Meta 1st in Head -!>
<head>
<– All of your meta content and CSS Java etc -!>
<meta content >
</head>
<body>
<nav>
Menu1 | Menu1 | Menu1 | Menu1 |
</nav>
<– Start your article body form here -!>
<div id=”content”>
You need to put your article here
</div>
<– Start your Sidebar or others HTML after the content sector -!>
<div id=”Siderbar”>
Here will be sidebar code
</div>
<– Start Footer Sector HTML Code -!>
<div id=”footer”>
Here will be Footer or Copyright Content
</div>
</body>
</html>

৪. BoilerPlate or Template কন্টেন্ট এড়িয়ে চলুনঃ

টেম্পলেট কন্টেন্ট হল আপনার একই টেক্স আপানার ওয়েব সাইটের অনেক গুলো পেজে থাকা, যারা ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করেন তারা বিষয়টা ভালো বুঝতে পারবেন, আপনি যখন একটা পোস্ট লিখেন, তখন সেটির কিছু অংশ ( ডেসক্রিপশন ) থাকে হোম পেজ এ। একই টেক্সট থাকে ক্যাটাগরিতে, ট্যাগ এ আর্কাইভ এ। তখন কিন্তু সেটি ডুপ্লিকেট কন্টেন্ট এর আওতায় পড়তে পারে। তাই যারা ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করেন তাদের জন্য উচিত ক্যাটাগরি, ট্যাগ, আর্কাইভ ইত্যাদি গুলোকে “NO Index” করে রাখা, যেটি আপনি “All in One SEO pack” প্লাগিন্স দিয়েই করতে পারেন।

৫. একই এঙ্কর টেক্সট বার বার ব্যবহার বাদ দিনঃ

সেই দিন শেষ হয়ে গেছে যখন ওয়েব মাষ্টাররা লিংক বিল্ডিং করার সময় একই এঙ্কর টেক্সট বার বার ব্যবহার করত।  এতে অনেক ভালো কাজও হত। কিন্তু এখন “গুগল পাণ্ডা” একই এঙ্কর টেক্সট বার বার দেখলে সেটিকে স্পামিং লিংক বিল্ডিং হিসাবে চিহিত করে। তাই আপনি সব সময় লিংক বিল্ডিং করার সময় অবশ্যই মাথায় রাখবেন যাতে করে গুগল পাণ্ডা বুঝতে না পারে আপনি নিজেই সব লিংকিং করেছেন। যতটা সম্ভব ন্যাচারাল থাকা যায়।
আর স্পিনিং আর্টিকেল এ ব্যাক লিংক করবেন না। ছোট হোক কিন্তু নিজের লেখা এমন কিছু আর্টিকেল লিখে লিংক বিল্ডিং করতে থাকেন।

৬. অন-পেজ এসইও করুন সঠিক ভাবেঃ

এখন বলা চলে যার অন-পেজ এসইও সবচেয়ে ভালো সে অল্প কিছু অফ পেজ এসইও করলেই তার সাইটটি রেংক আপ করারনো যায়। তাই আপনি অন পেজ এ এমন কিছু বাদ দিবেন না যার জন্য আপনি আপনার রেংক হারাতে পারেন। যেমনঃ
১. বার বার একই কী-ওয়ার্ড ব্যাবহার করা  থেকে বিরত থাকুন।
২. কী-ওয়ার্ড ডেনসিটি ১%-৩% এর ভিতরে রাখুন।
৩. Title ট্যাগ এ এমন ভাবে সাজান যাতে করে একটি টাইটেল এই সব কী-ওয়ার্ড থাকে, যেমন আপনার কী-ওয়ার্ড যদি হয় Bangladesh newspaper, Bangladesh newspapers, Bangladesh newspapers online তাহলে আপনি সাজাতে পারেন এভাবে।
Bangladesh Newspapers Online website Link or List.
৪. চেষ্টা করুন কী-ওয়ার্ড টাইটেল এর প্রথমেই রাখতে/
৫. H1-H6 ট্যাগ গুলোতে বার বার কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না
৬. সাইট ম্যাপ অবশ্যই ব্যবহার করুন
৭. দয়া করে পুরানো ব্ল্যাক হ্যাট এসইও কইরেন না, কারন সবই এখন গুগল পাণ্ডা মামার মুখস্ত :D
এইত গেল সব প্রধান প্রধান বিষয় গুলো যে কিভাবে আপনার সাইটকে রক্ষা করবেন ‘গুগল পাণ্ডা’ আপডেট থেকে। সব কথার শেষ কথা হল আপনি যতটা সম্ভব ন্যাচারাল এসইও করতে থাকেন। গুগল পাণ্ডাকে বুঝতে দিয়েন না যে আপনি বেশি এসইও করছেন। আজ এ পর্যন্তই , আশা করি নতুন কিছু আপনাদেরকে উপহার দিতে পেরেছি। ধন্যবাদ সবাইকে। তবে যাওয়ায় আগে একটা ছোট কথা বলে যাই সেটা হল “গুগল কিন্তু ১০০% সত্যি কথা বলে না” :P
Read More

আসুন জেনে নিই “গুগল পাণ্ডা” কি, কেন কিভাবে?



প্রশ্ন জাগতেই পারে গুগল আবার কবে থেকে পাণ্ডা পোষা শুরু করলো। আসলে এই “গুগল পাণ্ডা” কোন উন্নত জাতের চাইনিজ পাণ্ডা নয়, এটা একটি গুগল এর অ্যালগোরিদম এর পরিবর্তনের নাম। যেটা আমরা সার্চ রেজাল্ট ফিল্টারিং ও বলে পারি। গুগল তাদের সার্চ রেজাল্টকে আরও সহজ ও স্প্যামিং এর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য নতুন একটি আপডেট ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০১১ সালে প্রকাশ করে, যেটি “গুগল পাণ্ডা” নামে এখন সবার কাছেই বেশ পরিচিত। বিশেষ করে যারা এসইও নিয়ে কাজ করেন তাদের জন্য এক প্রকার বাড়তি চাপ। এটা এমন একটি অ্যালগোরিদম যেটি অনেক শক্তিশালী, এটি একটি ওয়েব সাইটের সকল প্রধান বিষয় গুলোকে প্রাধান্য  দেয়, যেমন কন্টেন্ট, বাউন্স রেট,ভিজিটর ডাটা, ডোমেইন এর বয়স, কোয়ালিটি ব্যাক লিংক, সাইট স্পীড সহ সব কিছু। এটা কিছুটা মানুষের  মত কাজ করে থাকে।  নিজে নিজে অনেক ক্ষেত্রে নতুন পদক্ষেপ নেয়, এবং প্রয়োজন মাফিক তা বাদ ও দিয়ে দেয় ।এসকল তথ্যের মধ্যে যদি কোন একটি বিষয় তার কাছে মনে হয় যে এটি রেংকিং পাওয়ার যোগ্য  না তাহলে তাকে একদম নিচে ফেলে দিবে। মোট কথা এটা বললে ভুল হবে না যে, গুগল পাণ্ডা= No(Spamming+copy/past+low quality content+low quality backlink)।



আপনারা সবাই হয়তো পাণ্ডা চিনে থাকতে পারেন। আসলে এটা যেমন তেমন পাণ্ডা নয়। যারা একটু বাকা বাঁকা এসইও করেন তাদের জন্য রীতিমত ভুমিকম্প। হ্যাঁ নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন আমি কার কথা বলছি। এই হল সেই এসইও মাস্টারদের সুপরিচিত নাম “গুগল পাণ্ডা” । আজ আমরা এর জীবন কাহিনী, কেন এলো সার্চ ইঞ্জিনে, কি কি ক্ষমতা তার, এর আপডেট ভার্সন গুলোর ব্যবহার এসব নিয়ে আলোচনা করবো। আশা করছি সবারই ভালো লাগবে।

কে এই গুগল পাণ্ডা?

না হলে যে কারনে গুগল পাণ্ডার আগমন

আমারা জানি গুগল বিশ্বের সবচেয়ে বড় সার্চ ইঞ্জিন। যারা ইন্টারনেট ব্যাবহার করেন তাদের জন্য তো এটা এমন একটি স্থান যেখানে শুধু মাত্র স্পর্শ করার ছাড়া সবকিছুই পাওয়া সম্ভব।
আর গুগল ও সবসময় চায় যে ব্যাবহারকারীদের সবসময় তাদের যা প্রয়োজন তাই দিতে। কিন্তু সেই কাজটি অনেক সময় ব্যাহত হয় কিছু স্প্যামারদের কারনে যারা নিজ থেকে কোন কিছু না দিয়ে অনের জিনিস চুরি করে, গুগলের চোখ ফাঁকি দিয়ে সবার আগে অবস্থান করে। এতে করে অনেক সময় অনাকাঙ্ক্ষিত সব ওয়েব সাইট চলে আসে প্রথমের দিকে। তাই এই সমস্যা থেকে সমাধানের জন্য নিয়ে আশা হয় “গুগল পাণ্ডাকে”। যে এই ধরনের ওয়েব সাইট গুলকে গুগল সার্চ রেজাল্ট থেকে কিক মেরে উপর থেকে একদম নিচে নিয়ে আসবে। ( এই কথা বলার সাথে সাথে “কুংফু পাণ্ডা” ছবির কথা মনে পরে গেলো পি) । গুগল তাদের এই পাণ্ডা আপডেট কে এমন ভাবে তৈরি করেছে যে, যেকোনো ধরনের অযচিত ওয়েব সাইট গুলকে কখনোই সার্চ রেজাল্টের প্রথমে আসতে দিবে না। এর ফলে আপনি পাবেন আরও উন্নত মানের সার্চ রেজাল্ট। যেখানে থাকবে না কোন স্প্যামিং, কপি/পেস্ট পোস্ট। যা পাবেন সবই বাঘা বাঘা সাইট।

গুগল পাণ্ডার সংক্ষিপ্ত জীবন কাহিনী

গুগল পাণ্ডা ২০১১ সালের ২৪ শে ফেব্রুয়ারি সর্বপ্রথম ভার্সন “পাণ্ডা ১.০” প্রকাশ করে। তারা এই এক বছরে ৩.৬ ভার্সন পর্যন্ত বের করেছে। আসুন দেখে নেই  কেমন ছিল তাদের কর্মকাণ্ড

 গুগল পাণ্ডা ১.০:

এটি সর্ব প্রথম ভার্সন পাণ্ডার। বের হয় ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০১১। এর মূল লক্ষ্য ছিল “কন্টেন্ট ফর্ম” সাইটের উপর, যে সকল সাইট গুলোতে মেম্বারা রেজিঃ করে স্প্যামিং ও অথবা খারাপ কোয়ালিটির কন্টেন্ট প্রভাইড করত তাদেরকে সোজা ধাক্কা মেরে নিচে নামিয়ে দেয়া। এর মধ্যে উন্নতম উদাহরণ হল hugpage.com

গুগল পাণ্ডা ২.০

১১ এপ্রিল, ২০১১ সালে এটা রিলিজ হয়। এটাই ছিল গুগলের ১ম অফিশিয়াল রিলিজ। যদিও বা এটা তেমন সাফল্য অরজন করতে পারিনি। এটি ছিল মূলত আমেরিকান সার্চ গুলোকে ফিল্টার করা। তাছাড়া সারা বিশ্বের সকল ইংরেজি ভাষার ওয়েব সাইট গুলোকে যারা কী ওয়ার্ড স্টিফিং করার  বা অন্য সকল ব্যাক হ্যাট এসইও করে ১ম পেজে থাকত তাদেরকে অপসারন করা।

 গুগল পাণ্ডা ২.১ ও ২.২

গুগল পাণ্ডা ২.১ বের হয় ১০ই মে ২০১১ আর ২.২ বের হয় জুন ১৬ ২০১১ তে। স্বল্প সময়ে ২টি ভার্সন বের করার কারনে বেশ কিছু বাগ থাকে । আর এই সময়ে গুগল যেসকল সাইট গুলো স্ক্রাপিং এর মাধ্যমে রিলিভেন্ট কন্টেন্ট ছাড়াই রেংকিং পায় তাদেরকে বাদ দেয়ার জন্য কাজ করে।

গুগল পাণ্ডা ২.৩

জুলাই ২৬, ২০১১ তে এটি বের হয় এবং এতে বেশ কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে লো কন্টেন্ট সাইট ও উন্নতমানের কন্টেন্ট এর সাইটের মধ্যে পার্থক্য করে দেয়া। যেসকল সাইট গুলো লো কন্টেন্ট নিয়েও ১ম এ ছিল আর তাদের কারনে যারা ভালো কন্টেন্ট লিখেও তাদের পিছনে থাকতো তাদেরকে আবার র‍্যাংকিং এ ফিরিয়ে আনা ছিল এই আপডেটের প্রধান লক্ষ্য ।

গুগল পাণ্ডা ২.৪

এটার মূল লক্ষ্য ছিল অন্য ভাষার সাইট গুলোকে ফিল্টারিং করে সাইট অনুযায়ী সঠিক র‍্যাংকিং করা। এটি রিলিজ হয় আগস্ট ২০১১ তে।

গুগল পাণ্ডা ২.৫

এই ভার্সন এর কাজ ছিল যেসকল বড় বড় সাইট গুলো সার্চ এ থাকার সামর্থ্য থাকার পরেও তারা অন্যদের জন্য পিছিয়ে ছিল তাদেরকে আবার রেংকিং এ ফেরানো। এর মধ্যে ছিল Foxnews.com ও Android.com  সাইট। এটি বের হয়  সেপ্টেম্বার ৩০ শে, ২০১১/

গুগল পাণ্ডা ৩.১

২.৫ এর ২মাস পরেই গুগল তাদের ৩ প্যাক ভার্সন বের করে। এটিতে অন্যরকম সব পরিবর্তন আনা হয়। যেমন সাইট এক্সেস ভ্যালিডিটি, ইউজাদের ব্যাবহার, অন পেজ এ বেশ পরিবর্তন আনা হয়। এটি সার্চের ১% সাইট কে প্রভাবিত করে।

গুগল পাণ্ডা ৩.২

ইমেজ সার্চ এর আল্গরিদামে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়। তাছাড়া এই সিরিজে গুগল ব্যাক লিংকিং এর উপর জোর দেয়। স্প্যামিং ব্যাক লিংকিং ধিরে ধিরে পরতে থাকে। এর মধ্যে ফোরাম এর প্রোফাইল লিংকিং উল্লেখযোগ্য। এই ভার্সন রিলিজ হয় ১৪ জানুয়ারি, ২০১২।

গুগল পাণ্ডা ৩.৩ ও ৩.৪

এই আপডেটে গুগল তাদের গুগল+ কে সার্চ রেজাল্টের (SERP’s) জন্য কাজ করায়। এতে করে গুগল+ ব্যবহারকারীরা একটি বাড়তি সুবিধা পান গুগল + থেকে। তাছাড়া বেশ বড় করে তারা কাজ করেন স্প্যামিং ব্যাক লিংক নিয়ে, এই আপডেটে বেশ কিছু জনপ্রিয় সাইট তাদের র‍্যাংকিং হারান গুগলে, এটি হিট করে যথাক্রমে ২৯শে ফেব্রুয়ারি ও ২৩ শে মার্চ ২০১২।

গুগল পাণ্ডা ৩.৫

বলা চলে এটাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী আপডেট যেটি কিনা ৩.৫% ওয়েব সাইটকে হিট করে। এই আপডেটের মূল কথা ছিল যে সকল সাইটে বেশি SEO করা হবে তাদেরকে নিচে নামিয়ে দেয়া হবে। ম্যাট কাট তার কথা রেখেছেন। হাজার হাজার ওয়েব সাইট তার পরে দিন থেকেই ভিজিটর শূন্য হয়ে যায়। যারা অধিক মাত্রায় ব্যাক লিংকিং , টুলস এর মাধ্যমে, কন্টেন্ট স্ট্যাফিং সহ অধিক মাত্রায় এসইও এর সাথে যুক্ত ছিলেন তারাই ছিল মূল টার্গেট। এতে করে যেমন নতুন সাইট এর র‍্যাংক হারান শুরু হয় ঠিক তেমনি যেসকল সাইট গুলো বেশ কয়েক বছর ধরে ভালো অবস্থানে ছিল তারাও নিচের দিকে নামতে থাকে। এই আপডেট হিট করে ১৯ শে এপ্রিল ২০১২।
মোট কথা গুগল পাণ্ডার মূল উদ্দেশ্য হল সার্চ ইঞ্জিনকে যতটুকু সম্ভব স্বচ্ছ রাখা। যদি ও এটি এখন ও ৩.৫-৫% ওয়েব সাইটের উপর কাজ করছে তবে এটি সামনের আপডেটে এই সংখ্যা আরও বাড়াবে। তাই এটা ভাবার কোন অবকাশ নেই যে আমার ওয়েব  সাইট তো এখন ও ঠিক ই আছে। বলা যায় না কখন আপনি ১ নম্বর থেকে সজা ১০০ নম্বর এ চলে যাবে। এমন ও হতে পারে যে আপনি সার্চের ডাটাবেস এই নাই । একদম সরাসরি স্যান্ড বক্সে
আশা করি কিছুটা হলেও আমি “গুগল পাণ্ডা সম্পর্কে আপনাদেরকে ধারণা দিতে পেরেছে। আর আগামী পর্বে আমি বলব কিভাবে এই গুগল পাণ্ডার হাত থেকে বাঁচবেন, কোন কোন ম্যাথরড এখন ও ভালো কাজ করে ইত্যাদি।
Read More

PR-8 (৮) ব্যাকলিংক ক্রিয়েট করুন আপনার সাইটের জন্য

undefined


একটা ওয়েবসাইট কে ভাল পজিশন এ আনার জন্য ব্যাকলিংক কতটা জরুরি আপনারা সবাই জানেন। তাই আমি ব্যাকলিংক এর প্রয়োজনিওতা নিয়ে কথা বলবো না।
আজ আমি আপনাদের শেয়ার করবো PR ৮ ফোরাম সাইট থেকে কিভাবে আপনার সাইটের এর জন্য ব্যাকলিংক নিবেন।

নিচে আমি সবগুলো ধাপ স্টেপ বাই স্টেপ দিয়ে দিলাম।

১.    http://www.dotnetnuke.com







2. http://my.opera.com






3. http://www.idealist.org






.

কোনো সমস্যা হলে কমেন্ট করবেন।
আজ এই পর্যন্ত। আপনাদের অনুপ্রেরনা পেলে টিউন টি চালিয়ে যাব।
Read More

SEO বা এস ই ও নিয়ে কিছু ধারাবাহিক প্রশ্ন-উত্তর, আপনিও অংশ নিন!


SEO faqসকলের শুভ কামনা করে আজ থেকে একটু ব্যতিক্রমী পোস্ট শুরু করতে চাচ্ছি, আর তা হল বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বাংলায় ধারাবাহিক প্রশ্ন-উত্তর।
বিভিন্ন বিষয়ে যেহেতু আমার একার পক্ষে প্রশ্ন খুজে বের করা বা সঠিক উত্তর দেওয়া খুব একটা সহজ ব্যাপার নয় তাই আপনাদের সকলের সাহায্য, পরামর্শ একান্ত প্রয়োজন। আর পোষ্ট লিখতে গিয়ে অনেক উত্তর বিভিন্ন ব্লগ এবং ফোরাম থেকে কপি পেষ্ট করতে হতে পারে তাই এটিকে ব্যক্তি উদ্দেশ্যে কপি-পেষ্ট না ভেবে সকল কে জানিয়ে দেবার উদ্দেশ্যে ভাবার জন্যে একান্ত অনুরোধ করব এবং প্রয়োজনে সেই সব ব্লগারের নাম এবং লিঙ্ক রেফারেন্স হিসেবে যোগ করে দেব। তারপরও যদি কোন ব্লগারের কোন আপত্তি থাকে তাহলে বিনা শর্তে সে সব কপি পেষ্ট উত্তর লিঙ্ক সহ মুছে দিতে চেষ্টা করব
আশা করি অনেকের কাজে লাগবে,
তাহলে প্যাচাল কম! কাজ বেশি…

১। SEO কি ?

“হোসেন রাহাত” তার ব্লগে বলেছেন – -
এসইও(SEO) বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমা-ইজেশন বলতে বুঝায় বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে একটি সাইটকে তুলে ধরা সাইটে কি আছে তা সার্চ ইঞ্জিনকে বুঝানো। আমরা যেকোনো কিছু লিখে গুগলে সার্চ দিলে দেখা যাবে অনেক পরিমানে ফলাফল পাওয়া যায় এর মধ্যে প্রথম ২/৩ পেজে যে সাইট গুলো আমরা পাই সেগুলোই আমরা দেখে থাকি। এটাই হল এসইও মানে সাইটে এসইও করলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইটকে আগে নিয়ে আসবে আগে থেকলে ভিজিটররা বেশি দেখবে। এটাই মূলত এসইও র কাজ।
” nazmuls4″ তার ব্লগে বলেছেন – -
SEO শব্দের অর্থ হল Search Engine Optimize . আমি সহজ বাংলায় আমার নিজের মত করে বলি, SEO হল এমন একটা কায়দা.. যে কায়দাতে সার্চ ইঞ্জিন কে একটি নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটকে, ঐ ওয়েবসাইটের কয়েকটি নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড দ্বারা পরিচয় করিয়ে দেয়া। যাতে পরে কোন ভিজিটর ঐ ধরনের কোন কীওয়ার্ড সার্চ ইঞ্জিনে লিখে সার্চ দিলে.. সার্চ ইঞ্জিন ঐ নিদির্ষ্ট ওয়েবসাইটাকে ভিজিটরকে প্রদান করবে।
“seotrainingbd.com” তার ব্লগে বলেছেন – -
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমা-ইজেশন (SEO) হলো অনলাইনে মার্কেটিং করা। মনে করুন আপনার একটি প্রতিষ্ঠান আছে, সেখানে শাড়ি ও লুঙ্গী বানানো হয়ে থাকে। বিস্তারিত শুধু বানানেই কি কাজ শেষ হবে? আপনার প্রডাক্ট এর বিক্রির জন্য নিশ্চয়ই মার্কেটিং মানে বিজ্ঞাপন দিতে হবে।ঠিক তেমনই SEO করতে হবে তখনই যখন আপনার একটি ওয়েব সাইট থাকবে এবং আপনি চান আপনার ওয়েব সাইটটি যেন সবার কাছে প্রচার হয়। কিন্তু ওয়েবসাইট তো আর শাড়ি ও লুঙ্গী নয়, সুতুরাং মার্কেটিং টা একটু অন্য স্টাইলে করতে হবে। আরো সহজ করে বললে, মনে করুন আপনি একটি ওয়েবসাইট খুলেছেন। এখন ওয়েব সাইটের ভিজিটর পাবেন কোথায়? আপনি google ওপেন করে টাইপ করুন http://www.seotrainingbd.com করেছেন? কি দেখা যায়? দেখা যাবে এসইও ট্রেইনিং বিডির ওয়েবসাইটটা গুগলে দেখা যাচ্ছে। একই ভাবে অন্য যে সকল সার্চ ইঞ্জিন আছে সেখানেও যদি আপনি এসইও ট্রেইনিং বিডি লিখেন তাহলে এসইও ট্রেইনিং বিডির সাইট চলে আসবে। মূলত এই কাজটা করাই হচ্ছে SEO। এছাড়া নতুন কনো সাইটে ভিজিটর বা-ড়ানোর একমাত্র উপায় হল SEO। অর্থাৎ যখনই কেউ কিছু লিখে সার্চ দিবে গুগলে অথবা যে কোন সার্চ ইঞ্জিনে আপনার সাইটের লিঙ্ক যেন সেখানে দেখা যায়। শুধু দেখা গেলেই হবে না। প্রথম ১০ এর মাঝে থাকতে হবে। আর প্রথম সারিতে থাকলে ওই ওয়েবসাইটে যেমন ভিজিটর বৃদ্ধি পায় তেমনি তাদের যা প্রচারণা চালানো উদ্দেস্য তা সফল হয়। কি সাহস পাচ্ছেন না? হাজার হাজার সাইট থাকতে আপনার সাইটের লিঙ্ক কিভাবে আসবে? সবই সম্ভব শুধু অপেক্ষা করুন আর আমাদের সঙ্গেই থাকুন তাহলে সব কিছু জানতে পারবেন ইনশাল্লাহ।
আরো জানুন
http://www.webcoachbd.com/seo-tutorials

২। SEO কত প্রকার ও কি কি ?

অনেকের মতে
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমা-ই-জেশন (SEO)দুই প্রকার । যথা :
1. On Page Optimization (অন- পেইজ এসইও)
2. Off Page Optimization (অফ-পেইজ এসইও)
এছাড়া পেইড SEO আছে

২। On page SEO কি ?

“seotrainingbd.com” তার ব্লগে বলেছেন – -
অনপেজ আসলে কোন একটি ওয়েব সাইট এর মধ্যে যে অপটিমা-ইজেশন করা হয়, সেইটা হল অনপেজ অপটিমা-ইজেশন । বিষয়টা এমন যে যখন কোন ওয়েব সাইট এর ডিজাইন করা হয় তখন এর ভিতরে কিছু সার্চ ইন্জিন অপটিমা-ইজেশন এর কাজ করতে হয়,এই কারনে করতে হয় যে সার্চ ইঞ্জিন যেন আমার সাইট টা খুজে পায়। ওয়েব সাইটের ভিতরে যা কিছু করা হয়, সব অনপেজ অপটিমা-ইজেশন।
অনপেজ অপটিমা-ইজেশন হচ্ছে সার্চ ইন্জিন অপটিমা-ইজেশন এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আর এটার ব্যবহার যদি কোনরকম ভুল হয় তাহলে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট খুজে বের করতে সাহায্য করবে না। তাই এটার ব্যবহার করতে হবে সঠিকভাবে। অনপেজের মধ্যে যে বিষয়গুলো বিদ্যমান। নিচে দেওয়া হল।
1. কি- ওয়ার্ড রিসার্চ,
2. কনটেন্ট,
3. মেটা ট্যাগ এবং মেটা ডিস্ক্রিপশন,
4. গুগল সাইট ম্যাপ,
5. XML সাইট ম্যাপ ।
আরও বেশ কিছু আছে। কিন্তু এইগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই কয়টা জিনিস জানতে পারলে অনপেজ অপটিমা-ইজেশন এর জন্য আর কিছুর প্রয়োজন নেই।
“সজীব রহমান” তার ব্লগে বলেছেন – -
ওয়েব পেজের মধ্যে যে সকল অপটিমা-ইজেশন করা হয় তাকেই অন-পেজ অপটিমা-ইজেশন বলা হয়।
আসুন দেখে নিই অন-পেজ অপটিমা-ইজেশনে কি বিষয় অন্তভুক্ত থাকে
  • ১.মেটা ট্যাগের ব্যবহার
  • ২.টাইটেলে ট্যাগের ব্যবহার
  • ৩.কী-ওয়ার্ড ট্যাগের ব্যবহার
  • ৪।Description ট্যাগের ব্যবহার
  • ৫।ALT ট্যাগের ব্যবহার
  • ৬।h1-h6 ট্যাগের ব্যবহার
  • ৭.পেজ – ফাইলের নামকরন
  • ৮.কী ওয়ার্ড সমৃদ্ধ কনটেন্ট বনানো
  • ৯।XML Sitemaps তৈরী করণ ইত্যাদি।

৩। Off Page SEO কি ?

“seotrainingbd.com” তার ব্লগে বলেছেন – -
অফপেজ অপটিমা-ইজেশন অনপেজ অপটিমা-ইজেশনকে ফলো করে। এর মানে, সাইট যত বেশী ভিজিট হয় তার মূল্য সার্চ ইঞ্জিনের কাছে তত বাড়ে। ওয়েবসাইটের বাইরে থেকে ওয়েবসাইটের জন্য যা করা হয় তাকে অফপেজ অপটিমা-ইজেশন বলে। অর্থাৎ ওয়েবসাইটের প্রচারের জন্য যেই মার্কেটিং করা হয় তাকেই অফপেজ অপপিমা-ইজেশন বলে।
অফপেজ অপটিমা-ইজেশন প্রচুর পরিমানে ট্রাফিক বা ভিজিটর এবং সাইট কে সার্চ ইঞ্জিন এর উপরে আনার জন্য সাহায্য করে। এই জন্য অফপেজ অপটিমা-ইজেশন এর গুরুত্বটা এত বেশি।অফপেজ অপটিমা-ইজেশন এর মধ্যে রয়েছে সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অনপেজ অপটিমা-ইজেশন হচ্ছে সাইট যখন নতুন তখন এর গুরুত্ব অনেক বেশি, কিন্তু সাইট যখন পুরান হয়ে যায় তখন অফপেজ অপটিমা-ইজেশন ছাড়া সাইট একেবারে অচল। এখন দেখি অফপেজ অপটিমা-ইজেশন এর মধ্যে কি আছে।
1. ব্যাক লিঙ্কিং
2. আর্টিকেল রাইটিং
3. অ্যাংকর টেক্সট
4. ব্লগ কমেন্ট
5. ফোরাম পোস্টিং
6. সোশ্যাল বুকমারকিং
7. ইয়াহু এন্সার ব্যাকলিঙ্কং
8. আর্টিকেল সাবমিশন
9. ডিরেক্টরি সাবমিশন
10. লিঙ্ক হুইল
11. লিঙ্ক এক্সচেন্জ
12. RSS সাবমিশন
13. Review Site সাবমিশন
14. Classified সাবমিশন
15. সার্চ ইঞ্জিন সাবমিশন
16. প্রোফাইল পোস্টিং
17. CSS সাবমিশন
18. ভিডিও পোস্টিং
19. ইমেজ পোস্টিং
20. পিডিএফ সাবমিশন

৫। Meta Tag কি?

“সজীব রহমান” তার ব্লগে বলেছেন – -
মেটা ট্যাগ হল HTML এর এমন কিছু ট্যাগ যে গুলো আপনার ওয়েব সাইটের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গুলোকে সার্চ ইন্জিনের কাছে প্রকাশ করে থাকে।এসকল ট্যাগের মধ্যকার লেখা গুলো ব্রাউজারে প্রকাশ পায় না (টাইটেল ট্যাগ বাদে). কিন্তু এই ট্যাগ ব্যবহারের ফলে সার্চ ইন্জিন বা অন্য ওয়েব ডেভলপাররা জানতে পারে ওয়েব সাইটের লেখক ,ওয়েব সাইট তৈরীর তারিখ, শেষ আপডেট করার সময় ইত্যাদি। তবে সকল ট্যাগ গুলো SEO তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয় যতটা টাইটেলে,কী ওয়ার্ড,Description ট্যাগ গুলো। এই ৩টি ট্যাগ SEO জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ
আরো জানুন- -

৬। robots.txt কি ?

“ডিজে আরিফ” তার ব্লগে বলেছেন – -
যখন সার্চ ইঞ্জিনের সার্চবট কিংবা স্পাইডারগুলো আমার ওয়েবসাইটে এসে আপনার পেজগুলোকে ইনডেক্স শুরু করে, তখন Robots.txt ফাইলটি দিক নির্দেশকের কাজ করে। এই ফাইলটি সার্চ ইঞ্জিন থেকে আগত ক্রওলার বা স্পাইডারকে জানাবে কোন পেজগুলো ইন্ডেক্স করতে হবে আর কোন পেজগুলো ইন্ডেক্স করতে হবে না। আপনার ওয়েবসাইটের পেজগুলো ইন্ডেক্স হওয়া বা না হওয়া অনেকটা এর ওপর নির্ভর করবে । ফাইলটি একটি সাধারণ টেক্সট ফাইল, এতে কোন বিশেষ কোডিং করা হয়নি, এটি আপনার ওয়েবসাইটের রুট ডিরেক্টরতে থাকতে হবে।
উদাহরণস্বরূপ – http://bn.jinnatulhasan.com/robots.txt
“মো:রেজওয়ানুল আলম” তার ব্লগে বলেছেন – -
“robots.txt” ফাইল এমন একটি ফাইল যেটা সার্চ ইন্জিনকে বলে যে,সার্চ ইন্জিন একটা সাইটের কোন কোন্ পেজ crawl করবে আর কোন কোন পেজ crawl করবেনা।এই robots.txt ফাইলটি রুট ফোল্ডারে থাকে।

৭, আমি কিভাবে Robots.txt ফাইলটি তৈরি করবো?

“মো:রেজওয়ানুল আলম” তার ব্লগে বলেছেন – -
robots.txt ফাইল দিয়ে সার্চ ইন্জিনের বট,ক্রাউলার এবং স্পাইডার সাইটের কোন্ কোন্ পেজ দেখবে এবং কোন্ কোন্ পেজ দেখবেনা এসব নিয়ন্ত্রন করা যায়।এই নিয়ন্ত্রনের পদ্ধতিকে বলা হয় রোবটস এক্সক্লুসন প্রটোকল (Robots Exclusion Protocol) বা রোবটস এক্সক্লুসন স্টান্ডার্ড (Robots Exclusion Standard) .এই ফাইল তৈরীর আগে এখানে ব্যবহৃত কিছু চিহ্ন চিনে নেয়া যাক
Robots.txt Protocol – Standard Syntax & Semantics
অংশ/চিহ্নবর্ননা
User-agent:নির্দেশ করে রোবট(সমূহ)কে
*Wildcard. User-agent: * এটার অর্থ সব রোবট
disallow:প্রতিটি লাইন disallow: দিয়ে শুরু হয়।এরপরে আপনি / দিয়ে URL path ঠিক করে দিতে পারেন।এতে করে ওই path বা ফাইল বা ওই পেজ আর রোবট ক্রাউল করবেনা।যদি কোন path না দেন অথ্যাৎ ফাকা থাকে তাহলে disallow কাজ করবে allow এর।
#কমেন্ট করার জন্য।এটার পরে কোন লাইন এজন্য লেখা হয় যাতে এই লাইনটি পরে বোঝা যায় যে নিচের কোডগুলি কি বিষয়ক হবে।
Disallow ফিল্ড আংশিক বা পূর্নাঙ্গ URL উপস্থাপন করতে পারে।/ চিহ্নের পর যে path উল্লেখ থাকবে সেই path রোবট ভিজিট করবেনা।যেমন
Disallow: /help
#disallows both /help.html and /help/index.html, whereas
Disallow: /help/
# would disallow /help/index.html but allow /help.html
কিছু উদাহরন
সব রোবট অনুমোদন করবে করবে সব ফাইল ভিজিটের জন্য (wildcard “*” নির্দেশ করে সব রোবট)
User-agent: *
Disallow:
সব রোবট কোন ফাইল ভিজিট করবেনা
User-agent: *
Disallow: /
গুগলবট এর শুধু ভিজিটের অনুমোদন থাকবে বাকি কেউ ভিজিট করতে পারবেনা
User-agent: GoogleBot
Disallow:
User-agent: *
Disallow: /
গুগলবট এবং ইয়াহুস্লার্প এর শুধু ভিজিটের অনুমোদন থাকবে বাকি কারো থাকবেনা
User-agent: GoogleBot
User-agent: Slurp
Disallow:
User-agent: *
Disallow: /
কোন একটা নির্দিষ্ট বটের ভিজিট যদি বন্ধ করতে চান তাহলে
User-agent: *
Disallow:
User-agent: Teoma
Disallow: /
এই ফাইলটি দ্বারা যদি আপনার সাইটের কোন URL বা পেজ crawl করা বন্ধ করে দেন তারপরেও কিছু সমস্যার কারনে এই পেজগুলি কোথাও কোথাও দেখাতে পারে।যেমন রেফারেল লগ এ URL গুলি দেখাতে পারে।তাছাড়া কিছু কিছু সার্চ ইন্জিন আছে যাদের এলগরিদম খুব উন্নত নয় ফলে এসব ইন্জিন থেকে যখন স্পাইডার/বোট crawl করার জন্য পাঠায় তখন এরা robots.txt ফাইলের নির্দেশনাকে উপেক্ষা করে আপনার সব URL crawl করে যাবে।
আরো জানুন- -

৮. কিওয়ার্ড কি?

কিওয়ার্ড হল শব্দ গুচ্ছ যা দিয়ে আপনি বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে আপনার তথ্য খুজতে ব্যবহার করে থাকেন

৯. কিওয়ার্ড রিসার্স কি ?

“seotrainingbd.com” তার ব্লগে বলেছেন – -
SEO এর প্রধান উপাদান হচ্ছে কীত্তয়ার্ড।বিশ্বের অধিকাংশ ব্যবহারকারী তথ্য খোজার ক্ষেত্রে কোন কোন শব্দ ব্যবহার করে থাকেন। কম জনপ্রিয় কোন শব্দ যদি ত্তয়েবসাইটের ডোমেইন এ ব্যবহার করা হয় তা হলে এটি সার্চ করার সময় পিছিয়ে থাকবে। তাই সঠিক কী ব্যবহার করার জন্য গুগলেরই সাহায্য গ্রহণ করতে হবে। প্রতিযোগীর সংখ্যা কমিয়ে নিয়ে আসার জন্য সঠিক শব্দ নির্বাচন করতে হবে। তাই গুগলের adwords ব্যবহার করে কোন শব্দ কতজন ব্যবহার করছে তার একটি হিসাবনিকাশ পাত্তয়া যায়।প্রতিমাসে যে পরিমানে সার্চ হয়েছে কিন্তু প্রতিযোগীর সংখ্যা কম এমন সকল শব্দ ব্যবহার করে সাইট নির্মাণ করলে সহজেই কাঙ্খিত ফল পাত্তয়া যায়। গুগলে mediafire movies লিখে সার্চ দেত্তয়া হলে এর প্রতিযোগির সংথ্যা দেখা যাচ্ছে অনেক। কিন্তু একই শব্দের সাথে আরো কিছু শব্দ all kinds of mediafire movies যুক্ত করে সার্চ দিলে প্রতিযোগিতা কমে যায়। এভাবেই গুগল adwords এর সাহায্যে সঠিক শব্দ, প্রতিযোগিতা কম কিন্তু সহজেই সকলে খোজার ক্ষেত্রে ব্যবহার করে থাকে এমন শব্দ ব্যবহার করে সাইট তৈরি করা যায়। তাই SEO সার্চ ইঞ্জিন অপটিমা-ইজেশন করার জন্য সঠিক শব্দ নির্বাচন ছাড়া আর কোন উপায় নেই।

১০. সাইটম্যাপ কি ?

“Jinnat Ul Hasan” তার ব্লগে বলেছেন – -
সাইটম্যাপ একটি XML ফাইল যাতে কোনো ওয়েবসাইটের যাবতীয় লিংক আরোও কিছু তথ্যসহ থাকে – যার ফলে সার্চ ইঞ্জিনগুলো খুব সহজে এবং কার্যকরীভাবে ওয়েবসাইটে ঘুরে বেড়াতে পারে এবং প্রয়োজনীয় ওয়েবপেজগুলোকে ইনডেক্স করতে পারে। ওয়েবমাষ্টাররা সাইটম্যাপের সাহায্যে তাদের ওয়েবসাইটে ইনডেক্স উপযোগী পেজ সম্বন্ধে সার্চ ইঞ্জিনগুলোকে অবহিত করে থাকে।
আরো জানুনঃ http://bn.earningfair.com/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%97%E0%A6%BF%E0%A6%82/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA-%E0%A6%95%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%9F%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%B0/

১১.সাইটম্যাপ কিভাবে বানাব?

“Jinnat Ul Hasan” তার ব্লগে বলেছেন – -
কয়েকটি উপায়েই সাইটম্যাপ বানানো যায়। নিজ হাতে লিংক ধরে ধরে কোড করে করতে পারেন আবার Vigos gSitemap সফটওয়ার কিংবা XML Sitemaps ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করে খুব সহজেই কেবলমাত্র ওয়েবসাইটের লিংক দিয়েই সাইটম্যাপ তৈরি হয়ে যায়। যারা wordpress কিংবা joomla ব্যবহার করেন, তারা যথাক্রমে Google XML Sitemaps এবং Xmap প্লাগইন ব্যবহার করে অটোমেটিকভাবে সাইটম্যাপ বানিয়ে ফেলতে পারেন।
এছাড়া যারা blogger.com কিংবা wordpress.com এর ব্লগ ব্যবহার করেন যাতে ফাইল আপলোডের (FTP) সুবিধা নেই, তারা ব্লগের RSS feed টিকে সাইটম্যাপ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। সাধারনত blogger.com এর feed এর লিংক হল http://xxxxx.blogspot.com/feeds/posts/default এবং wordpress.com ব্লগের জন্য হল http://xxxxx.wordpress.com/feed/ যা সাইটম্যাপের বিকল্প হতে পারে – xxxxx এর স্থলে আপনার ব্লগের নাম বসিয়ে দিন।

১২. ডুফলো এবং নোফলো ব্যাকলিংক কি?

শাহ্‌ সুলতান রনিতার ব্লগে বলেছেন – -

ডুফলো ব্যাকলিংক

ডুফলো ব্যাকলিংক হচ্ছে একটি সাধারন এইচটিএমএল লিংক। যার মাধ্যমে লিংকটি সরাসরি আপনার সাইটকে রেফার করবে এবং ব্লগ বা পোস্ট এই লিংকটিকে সমর্থন দেবে। ডুফলো ব্যাকলিংক হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী লিংক। আপনি কি ধরনের ব্লগের কাজ থেকে ডুফলো ব্যাকলিংক পাচ্ছেন তার উপরে নির্ভর করে আপনি কি ধরনের রেঙ্ক পাবেন।
উদাহরণস্বরূপ, আমি একটি সাধারন এইচটিএমএল সোর্স কোডের লিংকের মাধ্যমে একটি সাইটের ডুফলো ব্যাকলিংক উপস্থাপন করছি।
<a href=”http://www.banglahili.com”>বাংলাহিলি.কম</a>
নোফলো ব্যাকলিংক
নোফলো ব্যাকলিংক হচ্ছে এমন একধরনের লিংক যার মাধ্যমে ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিনকে তার প্রকাশিত ব্যাকলিংক কে ক্রাওল/ ইন্ডেক্স করতে নিষেধ করে । অর্থাৎ আপনি এধরনের লিংকের মাধ্যমে কোন প্রকার পেজ রেঙ্ক পাবেননা। তবে এর মাধ্যমে কিছু ভিজিটর পেতে পারেন। বিশ্বের জনপ্রিয় সাইটগুলো নোফলো ব্যাকলিংক ব্যাবহার করে থাকে যেমন ফেসবুক, টুইটার, উইকিপিডিয়া ইত্যাদি। নোফলো ব্যাকলিংক এর সাথে rel=”nofollow” কোডটি যুক্ত থাকে যা সার্চ ইঞ্জিনকে ইন্ডেক্স করতে বাঁধা দেয়।
উদাহরণস্বরূপ, আমি একটি সাধারন এইচটিএমএল সোর্স কোডের লিংকের মাধ্যমে একটি সাইটের নোফলো ব্যাকলিংক উপস্থাপন করছি।
<a href=”http://www.banglahili.com” rel=”nofollow”>বাংলাহিলি.কম</a>

১৩. ডুফলো এবং নোফলো ব্যাকলিংক চেক করার উপায় কি ?

search status নামে এডঅনস দিয়ে আপনি খুব সহজেই আপনি এই কাজটি সেরে ফেলতে পারেন যা আপনার ফায়ারফক্স ব্রাউজার রে যোগ করে দিতে হবে…
বিস্তারিত জানুন এই লিঙ্ক থেকেঃ http://seoaddakhana.blogspot.com/2011/06/nofollow-dofollow.html

১৪. সোশাল বুকমার্কিং কী ?

“নগদ নারায়ণ” তার ব্লগে বলেছেন – -
আপনি হয়তো আপনার ব্রাউজার এ কোন সাইট বা পেইজ বুকমার্ক করে রাখেন যদি সেই সাইটটির বিষয়বস্তু আপনার ভাল লেগে থাকে। কি করেন না? সোশাল বুকমার্কিংও ঠিক এরকমি একটা কাজ। শুধু তফাৎটা হচ্ছে যে সোশাল বুকমার্কিং টা একটা নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট এর মধ্যে সেভ হয়ে থাকবে, আপনার লোকাল পিসি বা ব্রাউজার এ নয়। সুতরাং আপনি যেকোন কম্পিউটারি ব্যবহার করেন না কেন, ইন্টারনেট এর সংযোগ থাকলে যেকোন জায়গা থেকেই আপনার বুকমার্ক করা লিংক বা ওয়েবসাইট আপনি অ্যাক্সেস করতে পারবেন।

১৫. পেইজ র‍্যাংক কি ?

“dueza.com” তার ব্লগে বলেছেন – -
Page Rank বা সংক্ষেপে PR হচ্ছে গুগল কর্তৃক ব্যবহৃত এক ধরনের লিংক বিশ্লেষন এলগরিদম, যা দ্বারা একটি পেইজ বা ওয়েবসাইট কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা নির্ধারণ করা হয় এবং সার্চের ফলাফলে এটিকে প্রধান্য দেয়া হয়। গুগল এটা বুঝে যখন একটি পেইজ অন্য একটি পেইজের সাথে যুক্ত হয়, এটা অন্য পেইজ দ্বারা সমর্থন দেওয়া বুঝায়। যত বেশী সমর্থন(এক্ষেত্রে লিঙ্ক বা ভোট) সেই পেইজ তত বেশী গুরুত্বপূর্ন গুগলের কাছে। আরো একটা ব্যাপার আছে সেই পেইজটি নিজের সাইটের বিভিন্ন পোস্টের সাথে কতটা লিঙ্ক জেনারেট করেছে মানে ইন্টারনাল লিঙ্ক আছে সেই পেইজের সাথে। গুগল যে সাইটের যত লিঙ্ক ইন্টারনেটের বিভিন্ন সাইটে পাবে তাকে তত বেশী গুরুত্ব দেবে। প্রতিটা সমর্থন বা লিঙ্ক গুনে দেখে গুগল যখন পেইজ র‍্যাংক দেয়।
আপনাদের জন্যে কিছু প্রশ্ন থাকল, সময় পেলে উত্তর দিন
  • ব্যাকলিংক পাওয়ার সহজ উপায় কি ?
  • ফোরাম সাইট থেকে কিভাবে ব্যাকলিংক পাব ?
  • প্রগ্রামিং এর সাথে কি এস ই ও – এর কোন সম্পর্ক আছে ?
  • নতুন একটা সাইট ইন্ডেক্স হতে কত সময় লাগে?
  • কোন ব্লগ পোষ্টে কতটি ট্যাগ ব্যবহার করা স্বাভাবিক ?
  • লোকাল SEO কি ?
পোষ্টটি ভাল লাগলে জানাবেন, আপনারা চাইলে এই রকম পোস্ট নিয়মিত করে যাব।
Read More

Total Pageviews

Powered by Blogger.

© iটিউটোরিয়ালবিডি, AllRightsReserved.

Designed by AllForBlogspot