Showing posts with label টিপস অ্যান্ড ট্রিকস. Show all posts
Showing posts with label টিপস অ্যান্ড ট্রিকস. Show all posts

Thursday, December 20, 2012

MS DOS বা Microsoft Disk Operating System--জেনে নিই ডস কমান্ড বিস্তারিত

MS DOS- জেনে নিই ডস কমান্ড বিস্তারিত


MS DOS বা Microsoft Disk Operating System হল মাইক্রোসফটের আবিস্কৃত জনপ্রিয় একটি অপারেটিংস সিস্টেম। IBM ১৯৮১ সালে তাদের পার্সনাল কম্পিউটারে এ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে। পরে Microsoft এর উন্নয়ন করতে করতে সর্বশেষ ভার্সন 6.22 পর্যন্ত নিয়ে আসে। বর্তমান Windows এ ডসের ব্যবহার করা যায় কিন্তু আমরা উইন্ডোজে সম্পূর্ণ DOS কে পায় না।

উইন্ডোজ আবিষ্কার করার পর মাইক্রোসফট কিছু গুরুত্বপূর্ণ ডস কমান্ড উই্ন্ডোজের সাথে যুক্ত করে দেয়। এগুলো আমরা উইন্ডোজ চলাকালীন ব্যবহার করতে পারি। এ কমান্ডগুলোকে বলে Internal DOS Command. যেমন copy, del, date, cls ইত্যাদি। বাকি কমান্ডগুলো ব্যবহার করার জন্য আমাদের দরকার হয় MS Dos এর Boot CD। যেমন Windows 98 যারা ব্যবহার করেছেন তারা এ ধরনের Dos কমান্ড সম্পর্কে পুরো অবগত আছেন। বর্তমানে বুট সিডি অভাব নেই এবং অধিকাংশ সিডিতে ডস সিস্টেম যুক্ত থাকে। এ ধরনের কমান্ডকে বলা হয় External Command । যেমন scandisk, fdisk ইত্যাদি। আবার কিছু কিছু কমান্ড আছে যেগুলো Internal এবং External দুই ভাবেই ব্যবহৃত হয়। আমরা আজকে এর ব্যবহার শিখব।
ডস কমান্ড প্রয়োগঃ
ডস কমান্ড দু ভাবে প্রয়োগ করা যায়। একটি হল Dos Prompt ব্যবহার করে অন্যটি bat/cmd ফাইল ব্যবহার করে। আমরা প্রথমে Dos Prompt এর ব্যবহার দেখি।
Dos Prompt: ১মে Run (Windows key+R) এ গিয়ে cmd লিখে এন্টার চাপুন। তাহলে আপনার সামনে Dos Prompt চলে আসবে। আমার G ড্রাইভে win7.jpg  নামে একটি ফাইল আছে। আমি সেই ফাইলটি F ড্রাইভে নিয়ে যাব। এ জন্য copy g:\win7.jpg f:\ লেখে এন্টার দেব। এর ফলে ফাইলটি কপি হয়ে যাবে এবং কয়টা ফাইল কপি হয়েছে এ তথ্য দেখাবে। কমান্ড ভুল হলে সে মেসেজও দেখাবে।
 
কমান্ডটিতে তিনটি অংশ আছে। ১ম অংশ copy, এটি হল কমান্ড। ২য় অংশ g:\win7.jpg, এটি হল সোর্স (From)। এ অংশটি কমান্ড ভেদে থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে। ৩য় অংশ f:\, এটি হল Destination (To)। এ অংশটি অবশ্যই থাকতে হবে। এটি ছাড়া কোন কমান্ড কাজ করবে না।
গুরুত্বপূর্ণ টিপসঃ ডসে কমান্ড ভেদে এক বা একাধিক অংশ থাকতে পারে। অংশগুলো একটি স্পেস দ্বারা বিভক্ত থাকে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল Destination (To) অংশটি। ড্রাইভগুলোর পরে :\ বসাতে হয় এবং ডিরেক্টরি বা ফোল্ডারের পরে \ চিহ্ন বসাতে হয়। কমান্ডগুলোর বানান ভুল হতে পারবে না। বড়/ছোট হাতের অক্ষর বসানো যাবে। সোর্স এবং Destination অংশে ফাইলটির নাম সহ পুরো ঠিকানা লেখতে হবে। যেমন F:\Kamrul Amusement\Fun\Cricket.avi এর স্থলে শুধু Cricket.avi লিখলে হবে না। প্রতিটি অংশ এক space দ্বারা বিভক্ত থাকবে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ জিনীস হল ডস কমান্ডের শেষের অংশে অর্থাৎ Destination (To) অংশে "" চিহ্ন বসানো খুবই জরুরী। এর কারণ হল কোন ফাইলের নাম দুই এর অধিক অংশে বিভক্ত থাকলে ডস ফাইলটিকে চিনতে পারে না। তখন "" চিহ্ন ব্যবহার করলে ঠিকই চিনতে পারে। যেমন আমি  G:\Office\Statement of Employee.doc ফাইলটি আমি "" চিহ্ন ছাড়া খুলতে চায়লাম ডস বলতেছে ফাইলটি খোঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু "" চিহ্ন ব্যবহার করাতে ঠিকই কাজ হয়েছে।   
Bat ফাইলঃ Notepad খুলে উপরের কমান্ডটি (copy g:\win7.jpg f:\) ওখানে পেষ্ট করুন। এবার সেভ করুন My file.bat নাম দিয়ে। অর্থাৎ ফাইলটির এক্সেটনশন হতে হবে .bat (cmd ও দেয়া যায়)। যেখানে ইচ্ছে সেভ করতে পারেন।
এবার ফাইলটিকে ডাবল ক্লিক করে রান করুন। আপনার সামনে Dos Prompt এসে চলে যাবে। তাহলে আপনি উপরের Dos Prompt এ যে কাজটি করেছিলেন এখানেও সে কাজটি হবে। একে বলে Bat ফাইল। bat ফাইলের সুবিধা হল যেখানে ইচ্ছা সেখানেই রাখা যায়, যখন ইচ্ছা ব্যবহার করা যায়। bat ফাইলকে এডিট করতে চায়লে রাইট ক্লিক করে Edit বা Open With>Notepad দিয়ে খোলতে পারেন। ফাইলটি Notepad এ খুলবে।
bat ফাইল এবং সোর্স ফাইল যদি একই ফোল্ডারে থাকে তাহলে bat ফাইলের সোর্স (From) অংশে পুরো এড্রেস না লিখে শুধু ফাইলের নাম লিখলেও চলে। কিন্তু Destination (To) অংশে সবসময় পুরো এড্রেস লিখতে হবে। যেমন উপরের কমান্ডটি bat ফাইলের জন্য copy win7.jpg f:\ লেখলেই হবে।
কমান্ডগুলোর সাথে কোন সুইচ থাকলে bat ফাইলে সেই সুইচগুলোও লিখতে হবে। সুইচ সম্পর্কে নিচে আলোচনা হয়েছে।
কমান্ড সুইচঃ প্রায় প্রত্যেকটি কমান্ডের সাথে কিছু সুইচ থাকে। সুইচ হল কিছু প্রশ্নের উত্তর। এগুলো একটি English Letter এ লেখতে হয়, প্রত্যেকটিতে স্পেস থাকে। যেমন আপনি কপি কমান্ড দিয়েছেন। ফাইলটি কপি করতে গিয়ে দেখা গেল ঐ নামে ঐ ডিরেক্টরি/ড্রাইভে আরেকটি ফাইল আছে। সেক্ষেত্রে ডস আপনার কাছে প্রশ্ন করবে ফাইলটি আপনি Overwrite করবেন কিনা। 
উত্তর না দেয়া পর্যন্ত কমান্ডটি কার্যকর হবে না। Dos Prompt এ আপনি সুইচগুলো না দিলে পরবর্তীতে আপনার সুইচের জন্য অপেক্ষা করবে। কিন্তু bat ফাইলে সুইচ ব্যবহার না করলে অনেক ক্ষেত্রে ডিফল্ট সুইচ অনুযায়ী কমান্ডটি কাজ করে নেবে। আর ডিফল্ট সুইচটি আমাদের মনের মত নাও হতে পারে। তাই সুইচ গুলো দিয়ে দিলে bat ফাইল সুইচ অনুযায়ী কমান্ডটি কার্যকর করবে। সুইচ সম্পর্কে জানতে হলে কমান্ডটির শেষে একটি স্পেস দিয়ে /? চিহ্ন ব্যবহার করে এন্টার চাপুন। তাহলে ঐ কমান্ড সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য পাবেন। যেমন copy /? দিয়ে এন্টার চাপুন। Command ভেদে সুইচগুলো Destination (To) এর আগে কিংবা পরে বসে বসতে পারে।
কিছু কমান্ডের গুরুত্বপূর্ণ সুইচঃ
rd %winDir%\a /S /Q= Windows এর a ফোল্ডারটি মুছবে। মুছার সময় Yes/No চায়বে না।
del "F:\Picture \*.*" /Q= F:\Picture থেকে সব ফাইল মুছে ফেলবে, Yes/No চায়বে না।
xcopy %systemdrive%\WINDOWS\Kamrul "F:\Kamrul" /e /y= WINDOWS ফোল্ডার থেকে সব ফাইল, ফোল্ডার কপি করে নিয়ে যাবে, Yes/No চায়বে না।
attrib +h +r +s %WinDir%\system32\Oeminfo.ini= system32 তে থাকা Oeminfo.ini ফাইলটি Hide এবং Read Only হয়ে যাবে।
regedit /s g:\Registry.reg= G ড্রাইভে থাকা Registry.reg ফাইলটি রান হবে, তবে Yes/No চায়বে না।
regsvr32 /s %WinDir%\Tree.dll= Windows এর Tree.dll রেজিঃতে এন্ট্রি হবে, Yes/No চায়বে না।
ফাইলের এক্টেনশনঃ
প্রত্যেকটি ফাইলের একটি একটি এক্সটেনশন থাকে। যেমন .doc, .jpg, .bmp, .mp3 ইত্যাদি। কোন কমান্ড দেয়ার সময় যদি আপনার অনেকগুলো ফাইল নিযে কাজ করতে হয় তখন * চিহ্ন ব্যবহার করতে পারেন। যেমন আমি F:\Picture এ থাকা সব .jpg ছবি G:\Kamrul\Picture এ কপি করতে চায়। ১০০টা ছবি থাকলে আমাকে ১০০ বার কমান্ড দিতে হবে। কিন্তু আমি * চিহ্ন ব্যবহার করে একবারই কাজটি করতে পারি। যেমন
copy F:\Picture\*.jpg G:\Kamrul\Picture
এখানে \*.jpg এর মানে হল যেই নামই থাকুক এক্সটেনশন jpg  হলেই হবে। এর ফলে যত jpg এক্সটেনশনের ফাইল আছে সব  G:\Kamrul\Picture ফোল্ডারে চলে যাবে। আর যদি *.* ব্যবহার করেন তাহলে যে নামই হোক, যে এক্সটেনশনই হোক সব ফাইলই কপি হয়ে যাবে। এখানেও প্রয়োজনীয় সুইচ ব্যবহার করা যাবে।
কপি পেষ্টঃ
Dos Prompt এ ব্যবহৃত কোন কমান্ড কপি করতে চায়লে রাইট ক্লিক করে Mark এ ক্লিক করুন। 
তারপর মাউস দিয়ে ড্রাগ করে যতটুকু দরকার সিলেক্ট করে নিন। যদি সব লেখা সিলেক্ট করতে চান তাহলে Select All এ ক্লিক করুন।
সিলেক্ট করা শেষে এন্টার চাপুন। এন্টার চাপার সাথে সাথে সিলেক্টেড লেখাটি কপি হয়ে যাবে। এবার আপনি যেখানে ইচ্ছা ঐ লেখা পেষ্ট করতে পারেন। আর যদি বাইর থেকে কোন কমান্ড Dos Prompt এ ব্যবহার করতে চান তাহলে টেক্সটি কপি করে নিন। এবার Dos Prompt এ রাইট ক্লিক করে পেষ্ট করে দিন।
এছাড়া আমার MS DOS কিভাবেব্যবহার করতে হয় পোষ্টটি আপনাকে আরো সহযোগিতা করতে পারে। নিজে নিজে প্রাকটিস করলে আরো অনেক কিছু শিখা যায়।
Read More

Monday, December 10, 2012

দারুন খবর। গ্রামীনফোনে ফ্রী আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্রাউজ/ডাউনলোড করুন। সম্পূর্ন নতুন ট্রিকস।

সবাইকে শুভেচ্ছা। কেমন আছেন সবাই। আশা করছি ভাল।
আজ আপনাদের খুব দারুন একটি খবর জানাতে এলাম।

3hand e0 দারুন খবর। গ্রামীনফোনে ফ্রী আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্রাউজ/ডাউনলোড করুন। সম্পূর্ন নতুন ট্রিকস।
অনেকেই ট্রিকসটি সম্পর্কে জানেনা।
এতদিন ব্যপারটি অনেকটা গোপনই ছিলো।
কিন্তু আজ আমি আপনাদের সামনে নিয়ে হাজির হয়েছি।
কিভাবে গ্রামীনফোনে ফ্রী আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্রাউজ/ডাউনলোড  করবেন।

Grameenphone Logo080 79679a1 300x287 দারুন খবর। গ্রামীনফোনে ফ্রী আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্রাউজ/ডাউনলোড করুন। সম্পূর্ন নতুন ট্রিকস।


প্রথমে আপনার জাভা সমর্থিত হ্যান্ডসেট লাগবে।
এবং pc suite যার মাধ্যমে আপনি কম্পিউটারেও ফ্রী ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।
প্রথমে আপনার মোবাইলের জন্য ইন্টারনেট কনফিগারেশনটি ডাউনলোড করুন।

ডাউনলোড করুন এখানে


এরপর ১মে এই কনফিগারেশন ফাইলটি ব্লুটুথ এর মাধ্যমে,যে মোবাইলে ফ্রী নেট করতে চান,সেটিতে সেন্ড করে দিন।
তাহলে একটি কনফিগারেশন ম্যাসেজ আসবে,সেটি সেভ করুন।
এবং ডিফল্ট কানেকশন হিসেবে সেট করুন।
উপরের কনফিগারেশন ফাইলটি যদি আপনার মোবাইলে সাপোর্ট না করে, তবে এটি ডাউনলোড করুন।

ডাউনলোড করুন এখানে

এরপর একিই নিয়মে এই কনফিগারেশন ফাইলটি ডিফল্ট কানেকশন হিসেবে সেট করুন।

এবার আসছি আসল কথায়।
একটি  বিশেষ অপেরা মিনিটি আজ আমি  আপনাদের ফ্রী দিয়ে দিলাম।

এই অপেরামিনির ফিচারগুলোঃ

উপরের অপেরামিনি টি তে রয়েছে আলাদা ডাউনলোড ম্যানেজার।
যার মাদ্ধ্যমে যেকোন ফাইল ডাউনলোড করা যায় খুব সহজে।
ডাউনলোড ম্যানেজার টি এক্টিভেট করতে বাটন চেপে ধরে রাখুন।
এছারা এই অপেরামিনি তে রয়েছে একটি অটোমেটিক স্ক্রীনশটার ।যার মাধ্যমে আপনার মোবাইলে ব্রাউজিং করার শময় স্ক্রীণ এর ছবি তুলতে পারবেন খুব সহজে।
স্ক্রীণশট নিতে কল বাটন চাপুন।
শট নিলে ছবি টি সরাসরি মেমোরী কার্ডে সেভ হবে,কোন ফোল্ডারে নয় সরাসরি মেমোরী কার্ডে।

ডাউনলোড করুন এখানে

ডাউনলোড করে অপেরা মিনিটি আপনার মোবাইলে ইন্সটল করুন।

কাজ শেষ। এবার আরাম করে আপনার মোবাইলে বা কম্পিউটারে গ্রামীনফোনের ফ্রী আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্রাউজ/ডাউনলোড করুন।
ডাউনলোড স্পীড ভালই পাবেন।

( একটি কথা বিলে রাখছি। এই পদ্ধতিটি সবসময় এবং সবার মোবাইলে কাজ নাও করতে পারে)
তবে আমি গত ১ মাস ধরে ভাল মতই ব্যবহার করতে পারছি। আশা করছি আপনারাও পারবেন।
আমার মোবাইলের ডাউনলোড স্পীড এর screen short টি একবার দেখে নিন।

net mob1 170x300 দারুন খবর। গ্রামীনফোনে ফ্রী আনলিমিটেড ইন্টারনেট ব্রাউজ/ডাউনলোড করুন। সম্পূর্ন নতুন ট্রিকস।


অনেক সময় নিয়ে, কষ্ট করে আপনাদের জন্য এই পোস্টটি লিখেছি।
ভাল লাগলে মন্তব্য করে জানাবেন।
সবার জন্য শুভেচ্ছা রইল।





Read More

উইন্ডোজ কে হ্যাক করে দ্রুত ফাইল কপি-পেস্ট করুন

সাধারনত আমরা যখন কোন ফাইল বা ফোল্ডার কম্পিউটার থেকে কপি করে পেন্ড্রাইভ
বা অন্য কিছুতে নিতে চাই তখন ওই ফাইল বা ফোল্ডারটির উপর মাউস রেখে ডান বাটন এ
ক্লিক করে Send To Pendrive এ ক্লিক করলেই হয়। কিন্তু আমরা যখন পেন্ড্রাইভ থেকে কোন
কিছু কপি করে কম্পিঊটার এ রাখতে চাই বা হার্ডডিস্কের এক ড্রাইভ থেকে আরেক ড্রাইভ এ
তখন সেই ড্রাইভ এ গিয়ে পেস্ট করতে হয়। এভাবে কপি-পেস্ট  করলে অনেক সময় লাগে এবং কোন ্ড্রাইভে ভাইরাস থাকলে তা অনান্য ড্রাইভেও ছড়ায়। অথচ এই কপি-পেস্ট এর কাজ গুলো আমরা ইচ্ছা করলে অন্যান্য ড্রাইভে না গিয়েও খুব সহজে করতে পারি। এর জন্য প্রথমে Start  থেকে Run এ গিয়ে regedit লিখে OK করুন।
HKEY_CLASSES_ROOT\AllFilesSystemObjects\shellex ঠিকানায় গিয়ে ContextMenuHandlers এর উপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে ২টা নতুন key বানাতে হবে যেগুলোর নাম হবে Copy To এবং Move To
.
images7 উইন্ডোজ কে হ্যাক করে দ্রুত ফাইল কপি পেস্ট করুন

এখন Copy To সিলেক্ট করে ডানপাশ থেকে default এ ডাবল ক্লিক করে Value Data তে {C2FBB630-297111d1-A18C-00C04FD75D13} লিখে ওকে করুন। এবং Move To সিলেক্ট করে
ডান পাশ থেকে default এ ডাবল ক্লিক করে Value Data তে {C2FBB631-2971-11d1-A18C-00C04FD75D13}  লিখে ওকে করে বেরিয়ে আসতে হবে। এখন যে ফাইল বা ফোল্ডারটি কপ-পেস্ট
বা কাট-পেস্ট করতে চান সেটির উপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Copy To Move To Folder (কাট করার জন্য) ক্লিক করে যে লোকেশানে পেস্ট করতে চান তা নির্বাচন করে Copy বা Move এ ক্লিক করুন।
Read More

Typing speed.. … .. আপনার টা কম না বেশী ?

আজ ভাবলাম কোন কঠিন আর খটমটে tutorial না দিয়ে কিছু মজার কাজ করি :D আ্মরা সবাই কম বেশী টাইপ করতে পারি এবং করি :D কিন্তু আমরা কি জানি আমাদের টাইপিং স্পীড exactly কতো ? অন লাইন এ এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখান থেকে খুব সহজেই জেনে নিতে পারবেন আপনার টাইপিং স্পীড কতো । আসুন যারা যারা সম্ভব পরীক্ষা করে দেখি আমাদের টাইপিং স্পীড কতো এবং সেটা কি সন্তোষজনক কিনা ? আমি একটুঁ আগে আমার টা টেস্ট করলাম । রেজাল্ট দেখে খুশি হয়ে গেছি :D ! শেয়ার করলাম screen shot দিয়ে । আপনারাও পারলে শেয়ার করুন আপনাদের টা এই টিউন এ :D
আপনার typing speed টেস্ট করতে নিচের এই লিঙ্কে ক্লিক করুন এবং স্টার্ট এ ক্লিক করে টেস্ট করতে থাকুন :D
লিঙ্ক ঃ http://www.typingtest.com/

আশা করি ভালো লাগবে আপনাদের। ভাল থাকবেন সবাই ।ধন্যবাদ :D

Capture 1 Typing speed.. ... ..  আপনার টা কম না বেশী ? :P
Read More

মাউস অথবা কীবোর্ড নষ্ট হলে অথবা কাজ না করলে কি করবেন দেখেনিন

সালাম সবাইকে আসা করি ভালো আছেন সবাই। আজকে ছোট একটি ট্রিকস শেয়ার করলাম পত্রিকার পাতা থেকে আসা করি ভালো লাগবে আপনাদের। কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের ছোটখাটো সমস্যা প্রায়ই ভোগায় আমাদের। এতে অনেকে ঘাবড়ে যান। কেউ আবার ছোটেন সারাইখানায়। ছোটখাটো এসব সমস্যা নিজেই সমাধান করা সম্ভব।


keyboard মাউস অথবা কীবোর্ড নষ্ট হলে অথবা কাজ না করলে কি করবেন দেখেনিন

 

মাউস নষ্ট হলে


জরুরি একটি ‘পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন’ আজ জমা দিতেই হবে। কম্পিউটারে বসতেই দেখা গেল, মাউসটি কাজ করছে না! ঠিকও করা যাচ্ছে না। এখন কী উপায়? উইন্ডোজে একটি সেটিংস পরিবর্তন করে বিকল্প ব্যবস্থায় চালাতে পারেন জরুরি মাউসের কাজ। এ জন্য কিবোর্ড থেকে একসঙ্গে
  • left ALT+ left SHIFT এবং NUM Lock কি চাপুন।
  • মনিটরে ছোট একটি পপ-আপ উইন্ডো আসবে। এই উইন্ডো থেকে ok প্রেস করুন।
  • এবার NUM Lock বাটনটি স্বয়ংক্রিয় করুন।
  • এতে কিবোর্ডের কি দিয়ে মাউসের কার্সর নাড়াচাড়া করা যাবে।
  • 1, 2, 3, 4, 6, 7, 8, 9 বাটন দিয়ে মাউস পয়েন্টার নাড়ানো যাবে।
  • আর ৫ দিয়ে মাউসে লেফট ক্লিক এবং + দিয়ে মাউসে ডাবল ক্লিক করা যাবে।
  • ডান পাশে CTRL এর বামের বাটনটি মাউসের রাইট ক্লিক বাটন হিসেবে কাজ করবে।
  • কাজ শেষে NUM Lock অফ করলে এ সুবিধা বন্ধ হয়ে যাবে।

কিবোর্ড যদি কাজ না করে


যদি কিবোর্ড কাজ না করে, তাহলে কোনো কিছুই করতে পারবেন না কম্পিউটারে। এ সমস্যার সমাধান দিতে পারে উইন্ডোজের অন স্ক্রিন কিবোর্ড। অন স্ক্রিন কিবোর্ড চালু করার জন্য উইন্ডোজের
  • Start থেকে All Programs-এ গিয়ে
  • Accessories >
  • Accessibility >
  • on screen keyboard-এ ক্লিক করুন।
  • দেখবেন মনিটরে ভার্চুয়াল কিবোর্ড হাজির হয়েছে।
  • এই কিবোর্ডের বাটনে মাউস দিয়ে ক্লিক করে লেখা যাবে।
Read More

Saturday, December 8, 2012

বাংলালিংক সিম থেকে আনলিমিটেড এস এম এস।না দেখলে শিউর মিস করবেন




আমরা বর্তমানে অনেকেই বাংলালিংক সিম ইউজ করি.।.।.।.।
বাংলালিংক সিমে আন লিমিটেড এস এম এস আনার  সিস্টেম আশা করি সবাই জানেন .....।
তারপর ও যারা জানেন না তাদের জন্য বলছি......
*১৩২*১# লিখে ডায়াল করলে রিপ্লাই এ আবার ১ প্রেস করলেই কাম খতম.।.।.।
শিওর
৫.৭৫ টাকা কাটবে :#(:#(:#(
এইবার আসি কাজের কথায়
যারা জানেন তাদের কাছে আমি আগে ই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি.......।:-#:-#
এভাবে প্রতিদিন ৫ টাকা দিয়ে এস এম এস কিনলে পোষায় না .....
তাই বাংলালিংক কোম্পানি কে বাঁশ (Bamboo) দেয়ার জন্য বলছি........
আপনার মোবাইল এ যদি ৫.৭৫ টাকার বেশি থাকে তবে ই কাম সারছে ,
পরথমে
আপনার মোবাইল থেকে অন্য আপনার যে কোন নাম্বার এ ১ টা কল দেন.......
কল টা রিছিভ করবেন না।
কল টা ডুকার সাথে সাথে চাপুন *১৩২*১#
এবং পরে রিপ্লাই এ ১ দিয়ে অকে চাপুন..........
request not completed দেখাবে...........X#(X#(
কল টা কাটবেন না ।
৩০ সেকেন্ড কল বাজার পর ringing বন্ধ হয়ে গেলে এবার আপনার একাউন্ট দেখুন ।
দেখবেন অপরিবর্তিত:P:P:P:P:P
এভাবে যত খুশী ততবার এস এম এস কিনুন:D:D:D
আমি ১০০০০ কিনছি........B-)B-)B-)B-)
বিঃদ্রঃএই কাজটা চাইনিজ মোবাইল এ হয় না।Nokia এর সিম্পল মোবাইল(১২০২,১২০৮,১২০৯,১১০০...........) এ হয়।
৩০ সেকেন্ড এর ভেতর পুরো কাজ শেষ করতে হবে।
Read More

ফ্রী ফ্রী ২০০MB internet উপভোগ করুন আপনার Banglalink সিমে ।








ফ্রী ফ্রী ২০০MB internet উপভোগ করুন
 আপনার Banglalink সিমে ।
 এই ট্রিক্সটা অনেকেরী জানা থাকতে পারে কীণতু জারা 
 জারা জানেন না তাদের জন্য আমি লিখছি  ।
 
“”"”"”Firstly Go to ********* http://top4wap.net ***************
Click Any One Link.”"”"”(For System Configaretion)”"”"”"”"
U must Visit http://top4wap.net here Otherwise U can’t it.
After That,
আপনারসিমে ৬টাকা রাখবেন । তারপর
*222*1*2# ডায়াল
করে 4.60 টাকা দিয়ে ২
MB কিনে নিন ।
তারপর ১ MB ব্যবহার করারপর
অপেরা মিনির
সেটিং এ গিয়ে সব কিছু OFF
করে নিন । শুধু single column view ON করুন আর
protocol অপশনটা HTTP
থেকে Socket/HTTP
করে নিন । ম্যাসেজ
অপশনে গিয়ে P1 লিখে 3343
নাম্বারে পাঠিয়ে দিন।
তারপর আপনার
মোবাইলে ১টাকার মত থাকবে । এখন
আপনার নেট প্যাকেজ
হয়ে যাবে ১ পয়সা ১০
কেবি মানে ১ টাকায় ১
MB এখন বাকি ১
MB খরচ করে তারপর অনবরত 200 MB Porjonto net..
চালাতে থাকেনমাঝে মাঝে সমস্যা হতে পারে কিংবাকানেকশন ফেইল্ডআসতে পারে । কানেকশন ফেইল্ডআসলে Retry দিবেন ।
আশা করি কাজ হবে ।
এটা শুধুমাত্র নকিয়ার জাভা মোবাইলে টেস্ট করা হয়েছে । আপনারা অন্যান্য মোবাইলেও ট্রাই করতে পারেন ।
Read More

Thursday, December 6, 2012

এবার মশা মারুন সফটওয়্যারের সাহায্যে!!

কি অবাক হলেন ?
অবাক হবারই কথা। আমিও দেখে প্রথমে অবাক হয়েছি।
undefined

আর যখনই এর কার্যকারিতা বুঝতে পারলাম তখনি আপনাতের সাথে শেয়ার করতে বসলাম।
আপনাদের মতামত অবশ্যই জানাবেন…… যাই হোক কথা না বাড়িয়ে আসল কথায় আসি। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মশার যা জালা তা আশা করি কাউকে বলে বুঝাতে হবে না। আর এ মশার হাত থেকে বাচার জন্য এ পর্যন্ত কত টাকা যে খরচ করা হয়েছে তা হয়ত হিসেবের বাইরে। আর নয় টাকা খরচ। শুধু বাসায় একটা কম্পিউটার আর স্পিকার থাকলেই সহজেই পেয়ে যাবেন সমাধান। ভাবছেন কিভাবে ?? এতো না ভেবে থেকে ৩ মেগাবাইটের ছোট সফটওয়ারটি ডাইনলোড করে ইনস্টল করে নিন।

ডাইনলোড

এবার দেখুন খেলা….


কিভাবে ব্যবহার করবেন ?

undefined

আপনি ফ্রিকোয়েন্সি আপ ডাউন (১২-২২ কিলো হার্জ এর মধ্যে) করতে পারবেন। এই শব্দের আপডাউনের মধ্যেই নির্ভর করবে এই সফটওয়্যারের যাদুকারীতা। এটি একটু কেয়ারফুললী করবেন। দেখবেন যে কত তে রাখলে আপনার রুমের মশা ঠিক মত পালনোর পথ পাবে না।

এর পর এর status এ যদি online এ সিলেক্ট করে রাখুন তাহলে শব্দ হওয়া শুরু হবে। আর যদি offline রাখেন তাহলে শব্দ হবে না।এবং অফলাইনে থাকাকালীন কোন কাজ হবে না। তাই অনলাইনে রাখবেন।
এর পর ফ্রিকোয়েন্সি অটো বা ম্যানুয়াল এ রাখতে পারবেন।
Read More

ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরির জন্য ১৫টি জরুরী প্লাগইন

কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমগুলোর মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করা বর্তমানে অনেক জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছে। আর জনপ্রিয়তার শীর্ষে যে ওয়ার্ডপ্রেস রয়েছে িএকথা সবারই জানা। ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে এমন কোন ওয়েবসাইট নেই যা তৈরি করা সম্ভব নয়। ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরির ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরী বিষয় হচ্ছে ওয়েবসাইটের জন্য জরুরী কতগুলো প্লাগইন ইন্সটল করা। কেননা, সঠিক প্লাগইনগুলো যদি ইন্সটল না করেন তবে আপনার ওয়েবসাইট নানা দিক থেকে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এমনই কয়েকটি প্লাগইনের তালিকা আজকে তুলে ধরা হলোঃ

১. Akismet
(এই প্লাগইনটি সাধারণত ওয়ার্ডপ্রেসের প্লাগইন লিস্টে অটোমেটিক প্রদান করা থাকে। এটি আপনার ওয়েবসাইটে স্পামিং বন্ধ করতে সহায়তা করবে।  আপনাকে যেটি করতে হবে তা হলো এটিকে ইন্সটল করতে হবে এবং ইন্সটল করার পর আপনাকে API Key দিতে হবে। এই Key টি নিতে হলে এখানে ক্লিক করেন)

২. All in One SEO Pack
(এই প্লাগইনটি আপনার সা্ইটের সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে সহায়ক হবে। প্লাগইনটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

৩. Contact Form 7
(এই প্লাগইনটির মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে একটি যোগাযোগ ফরম ব্যবহার করতে পারবেন যার মাধ্যমে আপনার ভিজিটর আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারবে। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

৪. Contact Info Options
(এর মাধ্যমে আপনি ওয়ার্ডপ্রেসের ব্যবহারকারীদের প্রোফাইল থেকে AIM, Yahoo IM এবং Jabber/Google এগুলো বাদ দিয়ে টুইটার, ফেইসবুক এবং গুগল+ ইত্যাদি আইডি যোগ করাতে পারবেন। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

৫. Email subscription
(এর মা্ধ্যমে আপনার উইজেটে ই-মেইল সাবস্ক্রিপশনের অপশন যোগ করতে পারবেন যার ফলে আপনার সাবস্ক্রাইবাররা আপনার নতুন পোস্টের ব্যাপারে তাদের মেইলের মাধ্যমে জানতে পারবে। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

৬. Facebook, Twitter & Google+ Social Widgets 
(আপনার প্রত্যেক পোস্ট এবং পৃষ্ঠার উপরে বা নিচে ফেইসবুক, টুইটার এবং গুগল+ এ শেয়ার করার লিংক যুক্ত করতে পারবেন। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

৭. Google Analyticator 
(আপনার ওয়েবসাইটের প্রতিদিনের ভিজিটরের বৃত্তান্ত জানুন এটির মা্ধ্যমে। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

৮. Google XML Sitemaps 
(গুগল, ইয়াহু, আস্ক এবং বিং সার্চ ইঞ্জিনে আপনার সাইটের সাইটম্যাপ সাবমিট করুন। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

৯. Quick Cache
(আপনার সাইটের লোডিং স্পিড বাড়ানোর জন্য একটি অন্যতম ক্যাচ প্লাগইন। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

১০. SEO Facebook Comments
(আপনার প্রত্যেক পোস্টের শেষে ফেইসবুক থেকে মন্তব্য করার অপশন যোগ করুন। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

১১. Social Login for wordpress 
(সামাজিক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনার ওযেবসাইটে লগইন/রেজিস্টার করার অপশন যোগ করুন। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

১২. User Photo 
(আপনার ওয়েবসাইটের ব্যবহারকারীরা তাদের প্রোফাইলে ছবি যোগ করার সুবিধা পাবেন এই প্লাগইনটির মাধ্যমে। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

১৩. WP-Polls 
(ওয়েবসাইটে ভিজিটরদের বিভিন্ন বিষয়ে মতামত/জরিপ নিতে চাইলে এই প্লাগইনটি উপযুক্ত। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

১৪. WP Sidebar Login 
(আপনার ব্যবহারকারীরা এই প্লাগইনটির মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে লগইন/রেজিস্টার করার সুযোগ পাবেন। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

১৫. WP Grins 
(এই প্লাগইনটির মাধ্যমে প্রত্যেক পোস্টের কমেন্ট বক্সের উপরে ইমোটিকন থাকবে যেগুলোতে ক্লিক করলেই মন্তব্যের ঘরে ইমোটিকন যুক্ত হবে। এটি ডাউনলোড করুন এখান থেকে)

ব্যস! িএই প্লাগইনগুলো ইন্সটল করুন এবং ৈতৈরি করুন  একটি আকর্ষণীয় ওয়েবসাইট।
Read More

Wednesday, December 5, 2012

আপনার Windows 7 এর Start Menu কে Windows 8 এর Start Menu মত করে ফেলুন।

আসসালামু আলাইকুম।সবাই কেমন আসেন আসাকরি সবাই ভাল আছেন।আমি জানি আপনারা সব সময় ভালই থাকেন।আমিও আপনাদের দোয়াতে ভাল আছি।কি করবো নতুন কোন কিছু পেলে আপনাদের সামনে হাজির হতে হয়।যাই হোক কাজের কথায় আছি।এটা এমন একটি প্রোগ্রাম সকলের জন্য ব্যবহার করা সহজ হবে।এটি দিয়ে এত সুন্দর করে সাজানও যায় আপনি ভাবতে পারবেন না।এছাড়াও আপনি এর চেহারা, ইমেজ, এবং কমান্ড ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারবেন।উইন্ডোজ 8 উপর সম্পূর্ণ অন্তর্ভুক্ত তাই এটি সহজ এই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এটি দিয়ে সহজেই মাউসের মাধ্যমে ক্লিক করে আপনার কম্পিউটার লক করতে পারে।উপকারিতাও আছে নিচে দেখুন.

এর উপকারিতা

১- একটি ক্লিকের সাহায্যে চালানো যায়।

২- কাঠামো এবং পরিবর্তন টেবিল যুক্ত করে যায়।

৩- নাম অনুযায়ী  ফাইল সাজানো যায়।

নামঃWindows 8 StartButton 1.0.9
 
 
 
সবাই কমেন্ট করবেন কেমন লাগলো। সবাই কে ধন্যবাদ আবার দেখা হবে অন্য কোনদিন সবাই ভাল থাকবেন।
Read More

Sunday, November 25, 2012

দরকার নেই অ্যান্টিভাইরাস। অ্যান্টিভাইরাস ছাড়া কম্পিউটার ব্যবহার

আজকাল এ্যান্টিভাইরাস ছাড়া কোন কম্পিউটার কল্পনা করা যায় না। কিন্তু এই এ্যন্টিভাইরাস গুলোর আছে অনেক সমস্যা। প্রায় সব কয়টি এন্টিভাইরাসই কম্পিউটারের স্পীড কিছুটা হলেও স্লো করে দেয়। আবার এদেরকে নিয়মিত ইন্টারনেট হতে আপডেট দিতে হয়। আবার এদের আছে ফুলভার্সন, হাফভার্সন, ক্রাক, কি-জেন কত কি। কি দরকার এত ঝামেলা। তাহলে এখন থেকে ঝামেলা ছাড়াই ব্যবহার করুন আপনার প্রিয় কম্পিউটারটি।
আসলে আমি এখানে ডিপফ্রিজ নিয়ে কথা বলব, যা এমনি একটি সফটওয়ার যার মাধ্যমে উইন্ডোজ নিরাপদ থাকবে ১০০%। কম্পিউটারের স্পীড কখনোই স্লো হবে না। এ ছাড়া ডিপফ্রিজ থাকলে ভাইরাস স্ক্যান করার ঝামেলাও থাকে না।

ডিপফ্রিজ কিভাবে কাজ করে?: ডিপফ্রিজ ইন্সট্রলের পর আপনি যদি কম্পিউটারে কোন ফাইল সেভ করে রিস্টার্ট দেন তাহলে সে ফাইলটি আর থাকবে না। কম্পিউটারে জমা আছে এমন কোনো ফাইল ডিলিট করে রিস্টার্ট করলে সে ফাইলটি আবার ফিরে পাওয়া যাবে। এক কথায় ডিপফ্রিজ করার পরবর্তী অবস্থায় কম্পিউটারের যতকিছুই পরিবর্তন করুন না কেন, রিস্টার্ট করার পর কম্পিউটার আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। এ কারণে কম্পিউটার চালু আবস্থায় যদি কখনো ভাইরাস ঢুকে পড়ে রিস্টার্ট করার পর সেটি আর থাকে না!

ডিপফ্রিজ সেটআপ প্রণালিঃ যে ড্রাইভে উইন্ডোজ সেটআপ করা আছে সে ড্রাইভে ডিপফ্রিজ সেটআপ করুন অর্থাৎ সি ড্রাইভে ইন্সটল করুন।
কম্পিউটার নতুন করে সেটআপ সহ সকল প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইন্সটল দেবার পর ডিপফ্রিজ সেটআপ করে নেয়া ভাল। ডিপফ্রিজ সেটআপ করার সময় কম্পিউটারের সব কয়টি ড্রাইভ (C drive, D drive, E driver…) টিক চিহ্ন সহকারে দেখা যাবে। কম্পিউটারের যে ড্রাইভে উইন্ডোজ setup করা আছে সে ড্রাইভ ছাড়া বাকী ড্রাইভগুলোর টিক চিহ্ন সরিয়ে দিয়ে সেট আপ কমপ্লিট করুন। এতে সুবিধা হবে এই যে, যে ড্রাইভ গুলো আপনি টিক চিহ্ন দিবেন না সেগুলোতে ডিপফ্রিজ এ্যাকটিভেট হবে না। ফলে আপনি সি ড্রাইভ বাদে সকল ড্রাইভে যেকোন ফাইল সেভ করতে পারবেন। ফাইল সেভ করার প্রয়োজনা না হলে (যেমনঃ অফিসের পিসির বা সাইবার ক্যাফের জন্য) সব কয়টি পার্টিশানে ডিপফ্রিজ সেটাপ করতে পারেন।
সেট আপ শেষ করার সাথে সাথে কম্পিউটার রিস্টার্ট হবে। রিস্টার্ট হবার পর একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। Ok করে পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করুন।

ডিপফ্রিজ সেটআপ করার পর সেটিকে আর রিমুভ করা যাবে না। তাই সেটাপ করার আগে ভাল করে এর ব্যবহার জেনে নিন। প্রয়োজনে আপনি ডিপফ্রিজ ওপেন করে প্রয়োজনীয় ফাইল সেভ আথবা সেটাপ করতে পারেন অথবা যে ড্রাইভে ফ্রিজ করা নেই সে ড্রইভে প্রয়োজনীয় ফাইল সেভ করতে পারেন।
সিফট কী চেপে ধরে টাস্কবারে ডিপফ্রিজ এর আইকনে ক্লিক করুন। একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। পাসওয়ার্ড দিয়ে ok করুন।
Boot thawed সিলেক্ট করে দু’বার ok করে রিস্টার্ট করুন।
প্রয়োজনীয় ফাইল সেটাপ অথবা সেভ করে আগের নিয়মে ডিপফ্রিজ ওপেন করে frozen সিলেক্ট করুন। রিস্টার্ট করার পর কম্পিউটার আবার ফ্রিজ অবস্থায় ফিরে আসবে।
ডিপফ্রিজ ওপেন করার পর যে সমস্ত ফাইল সেভ করতে চান সেগুলোতে যদি ভাইরাস থাকে তাহলে ডিপফ্রিজ ব্যবহার করে কোন লাভ হবে না। কোন ফাইল সেভ করতে চাইলে সেটিকে এন্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করে ভাইরাস রিমুভ করে নিন। এর একটা বিশেষ সুবিধা হলো যে কিছু কিছু ট্রায়াল সফটওয়ার আছে যেগুলোক ১ সপ্তাহ, ১০ দিন, ২০ দিন, ১ মাস পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। ঐ সব সফ্টওয়ার সেট আপ করার পর ডিপফ্রিজ করলে সেটিকে সব সময় ব্যবহার করা যাবে। ডাউনলোড DeepFreeze 5.০ ফুল ভার্সন। আর আমি এটি সাফল্যের সাথে উইন্ডোজ এক্সপি ও উইন্ডোজ 7 অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করছি। অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমে ট্রাই করি নাই।
Read More

আপনার কম্পিউটার এর যে কোন ফাইল অথবা ফোল্ডার পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড রাখুন কোন সফটওয়্যার ছাড়াই

অনেক সময় আমরা আমাদের বিভিন্য ব্যক্তিগত ফাইল অথবা ফোল্ডার অন্য দের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখতে চাই, আর এ জন্য আমরা বিভিন্ন জটিল অপশন এর ফোল্ডার হাইড অথবা ফোল্ডার পাসওয়ার্ড সফটওয়্যার ব্যবহার করি যেগুলোতে ঝামেলা অনেক বেশি আর জটিল অপশন সমৃদ্ধ। আমরা চাইলে একটি ছোট্ট সাধারন ট্রিক্সের মাধ্যমে এ কাজটি কোন সফটওয়্যার এর সাহায্য ছাড়াই করতে পারি।এতে যেমন বাঁচবে আমাদের সময় ঠিক তেমনি বাঁচবে কম্পিউটার এর মূল্যবান RAM চলুন দেখা যাক।
১. আপনি যে ফাইল অথবা ফোল্ডারে পাসওয়ার্ড দিতে চান সেটির উপর রাইট ক্লিক করুন এবং “Send to Compressed(zipped) Folder” ক্লিক করুন।
২. দেখবেন যে আপনার ফাইল অথবা ফোল্ডারটি zipped folder এ পরিনত হয়েছে।
৩. এবার আপনার কাংখিত ফাইল অথবা ফোল্ডারটির উপর রাইট ক্লিক করুন এবং open with, compressed (zipped) Folder এর মাধ্যমে ওপেন করুন।
৪. এবার স্ক্রিনের ফাঁকা যায়গায় রাইট ক্লিক করুন এবং Add password সিলেক্ট করুন।
৫. আপনার পাসওয়ার্ড সেট করুন এবং বের হয়ে আসুন।
৬. এবার জিপ ফাইলটিকে Extract করুন,দেখবেন password চাইছে। Password দিয়ে Ok করুন।
৭. ব্যস পেয়ে গেলেন আপনার কাংখিত ফাইল অথবা ফোল্ডারটি। আপনার প্রয়োজনীয় কাজ শেষে পাসওয়ার্ড প্রটেক্টেড জিপ ফাইল অথবা ফোল্ডারটি রেখে আনজিপ ফাইল অথবা ফোল্ডারটি ডিলিট করে দিন। বাড়তি নিরাপত্তার জন্য জিপ ফাইল অথবা ফোল্ডারটির এক্সটেনশন চেঞ্জ করে দিন।
তাহলে কেউ বুঝতে পারবে না যে এটি একটি জিপ ফাইল। আবার মেইন ফাইলটির দরকার হলে এক্সটেনশন .mp3 থেকে .zip করে নিন এবং আগের পদ্ধতি অনুসরন করুন।
Read More

কম্পিউটারের কিছু জানা-অজানা তথ্য যা অবশ্যই জেনে রাখা উচিত (অবশ্যই দেখবেন ১০০% কাজে দিবে গ্যারান্টি)

সবাই আমার সালাম নিবেন। আশা করি আল্লাহ্‌র কৃপায় সবাই ভালো আছেন !!!!!!! আজ আমি কোন টিপস শেয়ার করব না। আজ আমি কম্পিউটারের এমন কিছু তথ্য আপনাদের সাথে শেয়ার করব যা প্রত্যেকের জেনে রাখা উচিত। তথ্য গুলো খুবই কাজের। অনেকের এ তথ্যগুলো জানা থাকতে পারে। আবার অনেকে জানেন না। যারা জানেন না তাদের জন্য আমার এই টিউন। যারা কম্পিউটারে নতুন + এ তথ্যগুলো জানেন না তাদের আশা করি এ তথ্যগুলো ১০০% কাজে লাগবে। তাহলে চলুন আর কথ্য না বাড়িয়ে আমরা এই জটিল তথ্য গুলো জেনে নেই।
কম্পিউটার গ্রাফিক্স কি ?
কম্পিউটার এর মনিটরে অস্থায়ীভাবে বর্ণ, সংখ্যা, বিশেষ ধরনের অক্ষর, ছবি, চিত্র ইত্যাদিকে কম্পিউটার গ্রাফিক্স বলে।
Pixel কাকে বলে ?
কম্পিউটারের স্ক্রিনে আমরা যে ছবি দেখি তা অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আলোক বিন্দু নিয়ে গঠিত। এসব আলোক বিন্দুর প্রতিটিই এক একটি Pixel|
রেজোলুশন (Resolution) কি ?
মনিটরের পর্দায় হরাইজন্টাল ও ভ্যার্টিক্যাল বরাবর মোট পিক্সেলের সংখ্যাকে রেজুলেশন বলে। প্রকৃত পক্ষে মনিটরের অনুভূমিক ও উল্লম্ব বরাবর পিক্সেলের সংখ্যাই রেজোলুশনের পরিমাপ।
গ্রাফিক্স তৈরিতে পিক্সেলের ভূমিকা কি ?
গ্রাফিক্স তৈরির ক্ষেত্রে কোন ছবি বা গ্রাফিক্সের পিক্সেল সংখ্যা যত বেশি হবে ছবিটি দেখতে তত বেশি সুন্দর, সুস্পষ্ট, আকর্ষণীয়, জীবন্ত ও বাস্তব প্রকৃতির হবে। বিপরীতক্রমে পিক্সেল সংখ্যা কম হলে ছবিটি দেখতে ঝাপসা ও অস্পষ্ট দেখা যাবে।
ডাটা (Data) কি ?
ডাটার আভিধানিক অর্থ হল উপাত্ত। সাধারণ অর্থে ডাটা বলতে কোন কিছুর মান (Value) অথবা দলীয় মানকে বুঝায়।
মেমোরি কি ?
যে যন্ত্রাংশের মাধ্যমে তথ্য উপাত্ত, ছবি, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে কম্পিউটারের ভাষায় মেমোরি বা স্মৃতি বলে।
মেমোরির প্রকারভেদ
মেমোরি সাধারণ ২ প্রকার।
(১) প্রাইমারী মেমোরি (মেইন মেমোরি)
(২) সেকেন্ডারী মেমোরি (সহায়ক মেমোরি)
(১) প্রাইমারী মেমোরি (মেইন মেমোরি): কম্পিউটারের সিপিইউ এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে স্মৃতি চলমান প্রোগ্রাম, ডাটা, নির্দেশ হিসেবের ফলাফল ইত্যাদি সংরক্ষণ করে তাকে প্রাইমারী মেমোরি (মেইন মেমোরি) বলে। যেমন: র‌্যাম, রম।
প্রাইমারী মেমোরি (মেইন মেমোরি) আবার ২ প্রকার।
(ক) র‌্যাম (RAM): র‌্যাম (RAM) কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী মেমোরি যার ডাটা কম্পিউটার বন্ধ হলে বা বিদ্যুৎ চলে গেলে ডিলেট হয়ে যায়।
(খ) রম (ROM): কম্পিউটারের একটি স্থায়ী মেমোরি যার ডাটা কম্পিউটার বন্ধ হলে বা বিদ্যুৎ চলে গেলেও ডিলেট হয়ে যায় না।
(২) সেকেন্ডারী মেমোরি (সহায়ক মেমোরি): কম্পিউটারের যে স্মৃতি ব্যবস্থার সাথে সিপিইউ এর প্রত্যক্ষ সংযোগ থাকে না কিন্তু অধিক পরিমান তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে রাখতে যে স্মৃতি ব্যবস্থা তাকে সেকেন্ডারী মেমোরি (সহায়ক মেমোরি) বলে। যেমন: হার্ড ডিক্স, ফ্লপি ডিক্স, সিডি ইত্যাদি।
সেকেন্ডারী মেমোরি (সহায়ক মেমোরি) আবার ৪ প্রকার
(ক) H.D.D (হার্ড wW•): হার্ড ডিক্স কম্পিউটারের একটি বৃহৎ ষ্টোরেজ ডিভাইস। হার্ড ডিক্সে অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার থাকে এবং সকল সফটওয়্যার গুলোও হার্ড ডিক্সে ইন্সষ্টল করা থাকে। খুব দ্রুত ফাইল সংরক্ষণ করে এবং স্থায়ী মেমোরি।
(খ) F.D.D: সহজে বহন যোগ্য এক প্রকার মেমোরি। যা দ্বারা কম্পিউটারের ডাটা, প্রোগ্রাম, সফটওয়্যার ইত্যাদি এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে অতি সহজে স্থানান্তর করা যায়।
(গ) CD/DVD: সহজে বহন যোগ্য এক প্রকার মেমোরি। যাতে অডিও, ভিডিও, ছবি, ফাইল, সফটওয়্যার ইত্যাদি সব কিছুই রাখা যায় এবং প্রয়োজনের সময় তা ব্যবহার করা যায়।
(ঘ) Pen Drive: পেনড্রাইভ হচ্ছে সহজে বহন যোগ্য এক প্রকার মেমোরি। যাতে অডিও, ভিডিও, ছবি, ফাইল, সফটওয়্যার ইত্যাদি সব কিছুই রাখা যায় এবং প্রয়োজনের সময় তা ব্যবহার করা যায়। বলতে পারে প্রায় CD/DVD এর মতই।
স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা
কম্পিউটারের স্মৃতির ধারণ ক্ষমতার পরিমাপের একক হিসেব বিট শব্দটি ব্যবহৃত হয়। বাইনারি b¤^i পদ্ধতিতে অংক ০ এবং ১ কে বিট বলে।
৮ বিট = ১ বাইট
১০২৪ বাইট = ১ কিলো বাইট
১০২৪ মেগাবইট = ১ গিগা বাইট
১০২৪ গিগা বাইট = ১ টেরা বাইট
১০২৪ টেরা বাইট = ১ সেজা বাইট
সবাইকে অসংখ্যা ধন্যবাদ
{সমাপ্ত}
Read More

ফোল্ডার শেয়ার করুন পিসি টু পিসি

ফোল্ডার শেয়ার অনেক নিয়মে করা যাই।তবে আজ একটা নিয়ম শেয়ার করব।এটি আসলে কম্পিউটার নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য।যারা এক্সপার্ট তারা তো অনেক জানেন তাদের কাজ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে আমারও আপ্নারা আমার ভুল ধরিয়ে দিলে অনেক খুশি হব।এবার কাজের কথা আসি প্রথমে লোকাল এরিয়া কানেকশন থাকা লাগবে। যে ফোল্ডারটিকে শেয়ার করতে চান সে ফোল্ডাররের ওপর রাইট বাটন ক্লিক করে প্রোপার্টিসে ক্লিক করুন। নিচের মত উইন্ডো আসবে।

চিত্র - ১
এখন sharing অপশনে ক্লিক করুন তারপর যে উইন্ডো সেখানে Advanced sharing ক্লিক করুন।

চিত্র - ২
এরপর share this folder option এ ক্লিক করে apply and ok তে করুন।
যে পিসি তে শেয়ার করতে চান।সে পিসি তে গিয়ে start button থেকে Run এ গিয়ে ঐ পিসির আইপি লিখুন। ঠিক এরকম \\192.168.0.0 (লোকাল আইপি) লিখে ইন্টার চাপুন।

চিত্র - ৩
username and password দিয়ে ok  দিন এখন দেখুন ফোল্ডারটি চলে আসছে। ওপেন করে কপি করুন।

ধন্যবাদ সবাই কে ভুল হলে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন এবং ভুল ধরিয়ে দিবেন খুশি হব।
Read More

Saturday, November 24, 2012

ফ্রী ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি এর মালিক হন ফ্রী তে!!!

স্বাগতম , আশা করি সবাই ভাল আছেন ।

           সাইট টেস্টিং এর ক্ষেত্রে বা নতুন রা সাইট তৈরির ক্ষেত্রে প্রায়শই দেখা যায় ফ্রী হোস্টিং এর ব্যাবহার । আশে পাশে আছে বিভিন্ন নাম করা ফ্রী হোস্টিং কোম্পানি যেমনঃ ডিএইচ মারট, 1freehosting, 2freehosting, x10 , my5gb  আর কত কি ? কেমন হবে যদি আপনার ও থাকে একটা ফ্রী হোস্টিং কোম্পানি ! সাথে আর থাকবেঃ  প্রত্যেক অ্যাকাউন্ট এর সাথে ১০ জিবি ডিস্ক স্পেস , ১০০ জিবি ব্যান্ডউইথ, মাই এসকিউএল সহ সব  ! 

এবার চলুন মাত্র কয়েক ক্লিক এই তৈরি করে ফেলিঃ
স্টেপ ১ -

আপনার ডোমেইন এর কন্ট্রোল প্যানেল এ যান । ( ফ্রী ডোমেইন ও ব্যাবহার করতে পারেন যেমন ডট টিকে )
তারপর নিচের ইমেজ টির মত ডিএনএস আপডেট করুন । যেমন আমার ডোমেইন টির নামঃ  TH3-ANiK.TK
তাই আমার নেমসারভার হবে  : ns1.th3-anik.tk & ns2.th3-anik.tk এবং আইপি হবেঃ 209.190.16.82 ও 209.190.16.83
hjgj [টিউটোরিয়াল]  ফ্রী ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি এর মালিক হন ফ্রী তে!!!
এবার সেভ করে লগআউট করুন । আপনি প্রথম স্টেপ শেষ করলেন icon biggrin [টিউটোরিয়াল]  ফ্রী ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি এর মালিক হন ফ্রী তে!!!
স্টেপ ২ –

এবার এই সাইট এ যানঃ ক্লিক করে নিন এখানে 
তারপর অ্যাপ্লাই ফর্ম আসবে নিচের মত । ইনফো গুলো পুরন করুন ।
dd [টিউটোরিয়াল]  ফ্রী ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি এর মালিক হন ফ্রী তে!!!
তারপর  ”I have set my name servers and want to create a free reseller!” এ ক্লিক করুন ।
এবার হয়ে গেলো স্টেপ ২ ও শেষ icon biggrin [টিউটোরিয়াল]  ফ্রী ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি এর মালিক হন ফ্রী তে!!! । এবার ঘণ্টা খানেক অপেক্ষা করুন । আপনার ইমেইল এ ইনফর্মেশন এসে ।

স্টেপ – ৩

আপনার ইমেইল চেক করুন তাহলে এমন একটা ইমেইল পাবেনঃ
djfk [টিউটোরিয়াল]  ফ্রী ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি এর মালিক হন ফ্রী তে!!!
এবার আপনার ডোমেইন ভিজিত করুন এরকম আসবেঃ
dggdf [টিউটোরিয়াল]  ফ্রী ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি এর মালিক হন ফ্রী তে!!!
অর্থাৎ আপনার ফ্রী ওয়েব হস্তিং তৈরি হয়ে গেছে !! মিষ্টি খাওয়াতে ভুলবেন না ।

ভাল থাকুন । ধন্যবাদ ।
Read More

Friday, November 23, 2012

আর্টিকেল রাইটিং (Article Writing) এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে আয় করুন


ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আর্টিকেল রাইটিং (Article Writing) এর প্রচুর কাজ পাওয়া যায়। আর্টিকেল রাইটিং (Article Writing) এর কাজ করার বড় সুবিধা হল যে, এই কাজের রেট মোটামুটি ভাল এবং এই কাজ করার জন্য দক্ষ প্রতিযোগি কম ফলে সহজেই বিভিন্ন ফ্রীলানন্সিং মার্কেটপ্লেসে বিড করলেই এই কাজ পাওয়া যায়। নিচে আর্টিকেল রাইটিং পদ্ধতি এবং আর্টিকেল রাইটিং এর বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

Buyer এর requirement:
   Ø আর্টিকেল অবশ্যই Unique হতে হবে।
   Ø আর্টিকেল Copyscape passed হতে হবে (plagiarism pass)।
   Ø Article must be Suitable to read.
   Ø SEO Friendly আর্টিকেল হতে হবে।
   Ø আর্টিকেলের Keyword Density 2-4 % হতে হবে। Buyer চাইলে keyword গুলোকে bold / Italic করে দেখাতে হবে।
   Ø Paragraph/Article size 200-300 অথবা 400-500 word হতে হবে।
   Ø আর্টিকেলে অবশ্যই Title দিতে হবে। Buyer যদি Subtitle চায় তাহলে তাও দিতে হবে। যেমনঃ গরুর রচনায় TITLE হল “গরু” আর SUB-TITLE হল “সুচনা, বর্ণনা, উপকারিতা, উপসংহার” ইত্যাদি।


প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারঃ
   Ø Dupe free Pro software.
   Ø Word web.
   Ø Note pad.
   Ø MS Word.
   Ø File Format Converter.


কার্যপদ্ধতিঃ

ধাপ-১: Buyer যে subject এর জন্য Article লিখতে বলবে প্রথমেই সেই Subject/Article এর Keyword দিয়ে Google(www.google.com) এ search দিতে হবে। সেখান থেকে একটি ভালমানের Article নিয়ে Notepad এ রাখতে হবে।

গুগল ছাড়াও আরও অন্যান্য ওয়েবসাইটে উন্নত মানের আর্টিকেল পাওয়া যায়। যেমনঃ
   v http://ezinearticles.com
   v http://articlesfactory.com
   v http://www.article-generator.com

ধাপ-২: এখন Notepad থেকে Article টিকে নিয়ে এই ওয়েবসাইট (www.freearticlespinner.com) থেকে স্পিন করতে হবে। স্পিন করলে আর্টিকেল 50% Unique হবে আর 50% Duplicate থাকবে অর্থাৎ অর্ধেক Unique হবে আর অর্ধেক Duplicate থাকবে।

বি.দ্রঃ www.freearticlespinner.com ওয়েবসাইটটি ছাড়াও আরও বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে যারা আর্টিকেল স্পিন করে দেয়। এছাড়াও আর্টিকেল স্পিন করার জন্য ইন্টারনেটে অনেক ফ্রী সফটওয়্যারও পাওয়া যায়।

ধাপ-৩: এখন Dupe free Pro Software এর Article-1 অংশে মূল Search দেয়া Article টিকে এবং Article-2 অংশে স্পিন করা Article টিকে রেখে [ Compare ] অংশে Click করতে হবে এবং প্রতিবারে এই [ Compare ] অংশে ক্লিক করে দেখতে হবে যে 0% Duplicate হয়েছে কিনা। Word Web সফটওয়্যারের সাহায্যে Synonym পরিবর্তনের মাধ্যমে Article টিকে 0% Duplicate করতে হবে। এজন্য Color দিয়ে Mark করা অংশে Ctrl+Right Mouse Click করলে অনেক গুলো Synonym আসবে, সেখান থেকে সঠিক Word নির্বাচন করে 0% Duplicate করতে হবে। আর্টিকেল ইউনিক করার পাশে পাশে খেয়াল রাখতে হবে যেন আর্টিকেলটি সহজে পড়া যায়।

ধাপ-৪: এবার 0% duplicate করা Article টিকে নিয়ে www.gramarly.com website এ গিয়ে Article টির grammar + Uniqueness check করতে হবে।

 এছাড়াও আরও অন্যান্য ওয়েবসাইটের মাধ্যমে Grammar এবং Uniqueness বা Plagiarism বা Duplicate content check করা যায়। যেমনঃ
   v www.gramarly.com
   v www.spellchecker.com
   v www.spellcheckplus.com
   v www.copyscape.com
   v www.plagiarismchecker.com
   v www.searchenginereports.net/articlecheck.aspx

ধাপ-৫: Buyer চাহিদা অনুযায়ী আর্টিকেল তৈরি হয়ে গেলে অবশেষে Notepad, MS Word বা PDF ফাইলে করে আর্টিকেলটি Send করতে হবে। যদি অনেক গুলো আর্টিকেল হয় তাহলে একটি ফোল্ডারে সব আর্টিকেল রেখে জীপ (ZIP) সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফোল্ডারকে জীপ করে Buyer কে সেন্ড করতে হবে।


vØ একটি আর্টিকেলকে Search করে এনে স্পিন, ডুপি-ফ্রি এবং ওয়ার্ড-ওয়েব সফটওয়্যার এর মাধ্যমে Unique আর্টিকেল তৈরি করা হয়। তারপর বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আর্টিকেলের গ্রামার এবং ইউনিকনেস চেক করা হয়। একটি আর্টিকেল এর সঠিক কী-ওয়ার্ড, আর্টিকেলের টাইটেল + সাব-টাইটেল, কী-ওয়ার্ড ডেনসিটি, ইউনিকনেস এবং আর্টিকেলটি সহজে পড়া গেলে তা User Friendly & SEO Friendly আর্টিকেলে রূপান্তরিত হয়।



যে কোন ধরনের তথ্য / অনুসন্ধানের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
আপনার উন্নতি ও সফলতাই আমাদের একান্ত কাম্য।

 *** ধন্যবাদ ***
Read More

Wednesday, November 21, 2012

Microsoft Word এর কিছু শর্টকাট

Alt+0131= ƒ (টাকা)
Alt+0165= ¥ (ইয়েন)
Alt+0177= ± (যোগবিয়োগ)
Alt+0215= × (গুণ)
Alt+Ctrl+T= ™ (ট্রেডমার্ক)
Alt+ Ctrl+R= ® (রেজিষ্টার্ড)
Alt+0163= £ (লীরা)
Alt+0128= € (পাউন্ড)
Alt+0247= ÷ (ভাগ)
Alt+248/0186= º (ফারেনহাইট)
Ctrl + A = সিলেক্ট অল।
Ctrl + B = টেক্সট বোল্ড।
Ctrl + C = কোন কিছু কপি করা।
Ctrl + D = ফন্ট পরিবর্তনের ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করা।
Ctrl + E = সেন্টার এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + F = কোন শব্দ খোঁজা বা প্রতিস্থাপন করা।
Ctrl + G = গো টু কমান্ড।
Ctrl + H = রিপ্লেস কমান্ড।
Ctrl + I = টেক্সট ইটালিক।
Ctrl + J = টেক্সট জাস্টিফাইড এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + K = হাইপারলিংক তৈরী করা।
Ctrl + L = টেক্সট লেফট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + M = ইনভেন্ট দেয়ার জন্য।
Ctrl + N = নতুন কোন ডকুমেন্ট খোলার জন্য।
Ctrl + O = পূর্বে তৈরী করা কোন ফাইল খোলার জন্য।
Ctrl + P = ডকুমেন্ট প্রিন্ট।
Ctrl + Q = প্যারাগ্রাফের মাঝে স্পেসিং করার জন্য।
Ctrl + R = টেক্সটকে রাইট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + S = ফাইল সেভ।
Ctrl + T = ইনডেন্ট পরিবর্তন করার জন্য।
Ctrl + U = টেক্সট আন্ডারলাইন।
Ctrl + V = টেক্সট পেষ্ট করার জন্য।
Ctrl + W = ফাইল বন্ধ করার জন্য।
Ctrl + X = ডকুমেন্ট থেকে কিছু কাট্ করার জন্য।
Ctrl + Y = রিপিট করার জন্য।
Ctrl + Z = আন্ডু বা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে
Read More

Friday, November 16, 2012

কোন প্রকার সফটওয়ার ছারাই পরিবর্তন করুন আপনার ফোল্ডার এর অথবা পেন ড্রাইভ এর Background!







প্রথমে আপনি যান :
১:- Start Menu< > All Programs< > Accessories< > Notepad
নোটপ্যাডে ছোট্ট একটি কোড ব্যাবহার করে আপনি আপনার কম্পিউটারের Local Disk এর Background ও ফোল্ডারের Text এর কালার পরিবর্তন করতে পারেন
২. নোটপ্যাড ওপেন করুন।
৩. এখানে দেয়া কোড গুলো সম্পূর্ন কপি করে নোটপ্যাড এ পেস্ট করুন
[{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}]
Attributes=1
IconArea_Image=background.jpg
IconArea_Text=0xFFFFFF
(এখানে শেষের 0xFFFFFF আংশ টুকু নিজের পছন্দ মত বেছে নিন আর্থাৎ
0xCC0099 = Violet ,0x9900FF = pink ,0×000000 = black , 0xFF3300 = blue , 0x33CC00 = green , ] রং নিয়ে আরও গবেষনা করতে পারেন )
৪. এবার File টি Desktop.ini নামে save as করুন।save as type এ all file দেখিয়ে দিন ।
৫. আপনি যে Local Disk বা পেনড্রাইবের Background ও ফোল্ডারের Text কালার পরিবর্তন করতে চান তা ওপন করুন।
৬. সেখানে একটি New Folder নিন এবং তা Background নামে rename করুন ।
৭. এবার Background যে ছবি টা রাখতে চান সেটিও Background নামে রিনেইম করুন ।
৮. Desktop.ini নোটপ্যাড file টি Background নামের ছবিটি এবং Background নামের ফাইল টি Local Disk বা পেনড্রাইব উপর কপি- পেস্ট করুন ।
৯. Desktop.ini নোটপ্যাড file ,Folder , ছবি প্রত্যকেটির উপর রাইট ক্লিক করে প্রপার্টিজে গিয়ে Read only , Hidden মার্ক করে ok করুন ।
১০. রিফ্রেশ করুন অথবা উইন্ডোটি বন্ধ করে চালু করুন ..
Read More

Windows এর ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ Run Command

 

Windows এর ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ Run Command


০১. ফোল্ডার প্রপার্টিস = Control Folder
০2. ফন্টস = control fonts
০৩. ফন্টস ফোল্ডার = fonts
০৪. গেম কন্ট্রোলস = joy.cpl
০৫. গ্রুপ পলিসি এডিটর = gpedit.msc
০৬. হেল্প এন্ড সাপোর্ট = helpctr
০৭. হাইপার টার্মিনাল = hypertrm
০৮. Word প্যাড = write
০৯. উইন্ডোস এক্সপি টুর = tourstart
১০. উইন্ডোস ভার্শন = winver
১১. উইন্ডোস মেসেঞ্জার = wsmsgs
১২. উইন্ডোস মিডিয়া প্লেয়ার = wmplayer
১৩. উইন্ডোস মেনেজমেন্ট = wmimgmt.msc
১৪. উইন্ডোস ফায়ারওইয়াল = firewall.cpl
১৫. Windows এক্সপ্লোরার = explorer
১৬. টাস্ক মেনেজার = taslmgr
১৭. টিসিপি টেস্টার = tcptest
১৮. ইউটিলিটি মেনেজার = utilman
১৯. উইন্ডোস এড্রেস বুক = wab
২০. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার = iexplore
২১. ক্যালকুলেটর = calc
২২. কমান্ড প্রোম্পট = cmd
২৩. কন্ট্রোল প্যানেল = control
২৪. এডমিনিস্ট্রাটিভ টুলস = control admin tools
২৫. ডিস্ক ক্লিনাপ = cleanmgr
২৬. ডিস্ক পার্টিশন মেনেজার = diskpart
২৭. ডিক্স মেনেজমেন্ট = diskmgmmt.msc
২৮. ডিভাইস মেনেজার =devmgmt.msc
২৯. ইউজার একাউন্ট = control userpasswords2
৩০. ডিস্ক চেক = chkdsk
৩১. ডিসপ্লে প্রপারটিজ = control desktop
৩২. ইন্টারনেট প্রপারতিজ = inetcpl.cpl
৩৩. উইন্ডোস লগ অফ = logoff
৩৫. মাইক্রোসফট চ্যাট = winchat
৩৬. উইন্ডোস মুভি মেকার = moviemk
৩৭. মাইক্রোসফট পেইন্ট = mspaint
৩৮. কীবোর্ড প্রপারটিজ = control keyboard
৩৯. মাউস প্রোপার্টিজ = control mouse
৪০. নেট মিটিং = conf
৪১. নোটপ্যাড = notepad
৪২. নেটওয়ার্ক কানেকশন = netsetup.cpl
৪৩. অবজেক্ট পেজ মেকার = packager
৪৪. লোকাল সিকিউরিটি সেটীংস = secpol.msc
৪৫. সার্ভিসেস = services.msc
৪৬. রেজিস্যট্রি এডিটর = regedit
৪৭. রিমোট ডেস্কটপ = mstsc
৪৮. প্রিন্টার এন্ড ফ্যাক্স = control printers
৪৯. পাওয়ার কনফিগারেশন = powercfg.cpl
৫০. ফোন ডায়ালার = dialer

 

০১. ফোল্ডার প্রপার্টিস = Control Folder
০2. ফন্টস = control fonts
০৩. ফন্টস ফোল্ডার = fonts
০৪. গেম কন্ট্রোলস = joy.cpl
০৫. গ্রুপ পলিসি এডিটর = gpedit.msc
০৬. হেল্প এন্ড সাপোর্ট = helpctr
০৭. হাইপার টার্মিনাল = hypertrm
০৮. Word প্যাড = write
০৯. উইন্ডোস এক্সপি টুর = tourstart
১০. উইন্ডোস ভার্শন = winver
১১. উইন্ডোস মেসেঞ্জার = wsmsgs
১২. উইন্ডোস মিডিয়া প্লেয়ার = wmplayer
১৩. উইন্ডোস মেনেজমেন্ট = wmimgmt.msc
১৪. উইন্ডোস ফায়ারওইয়াল = firewall.cpl
১৫. Windows এক্সপ্লোরার = explorer
১৬. টাস্ক মেনেজার = taslmgr
১৭. টিসিপি টেস্টার = tcptest
১৮. ইউটিলিটি মেনেজার = utilman
১৯. উইন্ডোস এড্রেস বুক = wab
২০. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার = iexplore
২১. ক্যালকুলেটর = calc
২২. কমান্ড প্রোম্পট = cmd
২৩. কন্ট্রোল প্যানেল = control
২৪. এডমিনিস্ট্রাটিভ টুলস = control admin tools
২৫. ডিস্ক ক্লিনাপ = cleanmgr
২৬. ডিস্ক পার্টিশন মেনেজার = diskpart
২৭. ডিক্স মেনেজমেন্ট = diskmgmmt.msc
২৮. ডিভাইস মেনেজার =devmgmt.msc
২৯. ইউজার একাউন্ট = control userpasswords2
৩০. ডিস্ক চেক = chkdsk
৩১. ডিসপ্লে প্রপারটিজ = control desktop
৩২. ইন্টারনেট প্রপারতিজ = inetcpl.cpl
৩৩. উইন্ডোস লগ অফ = logoff
৩৫. মাইক্রোসফট চ্যাট = winchat
৩৬. উইন্ডোস মুভি মেকার = moviemk
৩৭. মাইক্রোসফট পেইন্ট = mspaint
৩৮. কীবোর্ড প্রপারটিজ = control keyboard
৩৯. মাউস প্রোপার্টিজ = control mouse
৪০. নেট মিটিং = conf
৪১. নোটপ্যাড = notepad
৪২. নেটওয়ার্ক কানেকশন = netsetup.cpl
৪৩. অবজেক্ট পেজ মেকার = packager
৪৪. লোকাল সিকিউরিটি সেটীংস = secpol.msc
৪৫. সার্ভিসেস = services.msc
৪৬. রেজিস্যট্রি এডিটর = regedit
৪৭. রিমোট ডেস্কটপ = mstsc
৪৮. প্রিন্টার এন্ড ফ্যাক্স = control printers
৪৯. পাওয়ার কনফিগারেশন = powercfg.cpl
৫০. ফোন ডায়ালার = dialer

Read More

Monday, October 29, 2012

Flash Drive (Pendrive) কে আপনার পিসির RAM হিসেবে ইউস করবেন কোন সফটওয়্যার ছাড়া



আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে কোন সফটওয়্যার ছাড়া Flash Drive (Pendrive) কে RAM হিসেবে ইউস করতে হয়। তাহলে শুরু করি।


Windows XP

1) Insert the Flash Drive then Right Click on Computer > Properties
 
2) Navigate to Advanced tab then click Settings under Performance section.
 
 
3) Click Advanced tab again, and click Change under Virtual Memory section.
 
4) Select the USB Flash Drive letter from the list, click Custom Size .
 
5) Set the minimum and maximum size to use in the Flash Drive (better choose same size of flash drive)
 
 
6) Press OK and Apply all settings, Restart your Computer for changes to take effect.

Windows Vista / 7


1) Insert USB Flash Drive into your computer.

2) Right Click on the USB Flash Drive > Properties

3) Navigate to ReadyBoost tab.
4) Select Use this Device and allocate the amount of memory to use (better choose around 80% of USB Flash Drive's size)
 
5) Click OK to apply all settings, then Restart the computer for changes to take effect.

সবাই ভাল থাকবেন। আজকের মত বিধায়।
Read More

Total Pageviews

Powered by Blogger.

© iটিউটোরিয়ালবিডি, AllRightsReserved.

Designed by AllForBlogspot