Sunday, November 25, 2012

দরকার নেই অ্যান্টিভাইরাস। অ্যান্টিভাইরাস ছাড়া কম্পিউটার ব্যবহার

আজকাল এ্যান্টিভাইরাস ছাড়া কোন কম্পিউটার কল্পনা করা যায় না। কিন্তু এই এ্যন্টিভাইরাস গুলোর আছে অনেক সমস্যা। প্রায় সব কয়টি এন্টিভাইরাসই কম্পিউটারের স্পীড কিছুটা হলেও স্লো করে দেয়। আবার এদেরকে নিয়মিত ইন্টারনেট হতে আপডেট দিতে হয়। আবার এদের আছে ফুলভার্সন, হাফভার্সন, ক্রাক, কি-জেন কত কি। কি দরকার এত ঝামেলা। তাহলে এখন থেকে ঝামেলা ছাড়াই ব্যবহার করুন আপনার প্রিয় কম্পিউটারটি।
আসলে আমি এখানে ডিপফ্রিজ নিয়ে কথা বলব, যা এমনি একটি সফটওয়ার যার মাধ্যমে উইন্ডোজ নিরাপদ থাকবে ১০০%। কম্পিউটারের স্পীড কখনোই স্লো হবে না। এ ছাড়া ডিপফ্রিজ থাকলে ভাইরাস স্ক্যান করার ঝামেলাও থাকে না।

ডিপফ্রিজ কিভাবে কাজ করে?: ডিপফ্রিজ ইন্সট্রলের পর আপনি যদি কম্পিউটারে কোন ফাইল সেভ করে রিস্টার্ট দেন তাহলে সে ফাইলটি আর থাকবে না। কম্পিউটারে জমা আছে এমন কোনো ফাইল ডিলিট করে রিস্টার্ট করলে সে ফাইলটি আবার ফিরে পাওয়া যাবে। এক কথায় ডিপফ্রিজ করার পরবর্তী অবস্থায় কম্পিউটারের যতকিছুই পরিবর্তন করুন না কেন, রিস্টার্ট করার পর কম্পিউটার আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। এ কারণে কম্পিউটার চালু আবস্থায় যদি কখনো ভাইরাস ঢুকে পড়ে রিস্টার্ট করার পর সেটি আর থাকে না!

ডিপফ্রিজ সেটআপ প্রণালিঃ যে ড্রাইভে উইন্ডোজ সেটআপ করা আছে সে ড্রাইভে ডিপফ্রিজ সেটআপ করুন অর্থাৎ সি ড্রাইভে ইন্সটল করুন।
কম্পিউটার নতুন করে সেটআপ সহ সকল প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইন্সটল দেবার পর ডিপফ্রিজ সেটআপ করে নেয়া ভাল। ডিপফ্রিজ সেটআপ করার সময় কম্পিউটারের সব কয়টি ড্রাইভ (C drive, D drive, E driver…) টিক চিহ্ন সহকারে দেখা যাবে। কম্পিউটারের যে ড্রাইভে উইন্ডোজ setup করা আছে সে ড্রাইভ ছাড়া বাকী ড্রাইভগুলোর টিক চিহ্ন সরিয়ে দিয়ে সেট আপ কমপ্লিট করুন। এতে সুবিধা হবে এই যে, যে ড্রাইভ গুলো আপনি টিক চিহ্ন দিবেন না সেগুলোতে ডিপফ্রিজ এ্যাকটিভেট হবে না। ফলে আপনি সি ড্রাইভ বাদে সকল ড্রাইভে যেকোন ফাইল সেভ করতে পারবেন। ফাইল সেভ করার প্রয়োজনা না হলে (যেমনঃ অফিসের পিসির বা সাইবার ক্যাফের জন্য) সব কয়টি পার্টিশানে ডিপফ্রিজ সেটাপ করতে পারেন।
সেট আপ শেষ করার সাথে সাথে কম্পিউটার রিস্টার্ট হবে। রিস্টার্ট হবার পর একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। Ok করে পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করুন।

ডিপফ্রিজ সেটআপ করার পর সেটিকে আর রিমুভ করা যাবে না। তাই সেটাপ করার আগে ভাল করে এর ব্যবহার জেনে নিন। প্রয়োজনে আপনি ডিপফ্রিজ ওপেন করে প্রয়োজনীয় ফাইল সেভ আথবা সেটাপ করতে পারেন অথবা যে ড্রাইভে ফ্রিজ করা নেই সে ড্রইভে প্রয়োজনীয় ফাইল সেভ করতে পারেন।
সিফট কী চেপে ধরে টাস্কবারে ডিপফ্রিজ এর আইকনে ক্লিক করুন। একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। পাসওয়ার্ড দিয়ে ok করুন।
Boot thawed সিলেক্ট করে দু’বার ok করে রিস্টার্ট করুন।
প্রয়োজনীয় ফাইল সেটাপ অথবা সেভ করে আগের নিয়মে ডিপফ্রিজ ওপেন করে frozen সিলেক্ট করুন। রিস্টার্ট করার পর কম্পিউটার আবার ফ্রিজ অবস্থায় ফিরে আসবে।
ডিপফ্রিজ ওপেন করার পর যে সমস্ত ফাইল সেভ করতে চান সেগুলোতে যদি ভাইরাস থাকে তাহলে ডিপফ্রিজ ব্যবহার করে কোন লাভ হবে না। কোন ফাইল সেভ করতে চাইলে সেটিকে এন্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করে ভাইরাস রিমুভ করে নিন। এর একটা বিশেষ সুবিধা হলো যে কিছু কিছু ট্রায়াল সফটওয়ার আছে যেগুলোক ১ সপ্তাহ, ১০ দিন, ২০ দিন, ১ মাস পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। ঐ সব সফ্টওয়ার সেট আপ করার পর ডিপফ্রিজ করলে সেটিকে সব সময় ব্যবহার করা যাবে। ডাউনলোড DeepFreeze 5.০ ফুল ভার্সন। আর আমি এটি সাফল্যের সাথে উইন্ডোজ এক্সপি ও উইন্ডোজ 7 অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করছি। অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমে ট্রাই করি নাই।
Read More

আপনার কম্পিউটার এর যে কোন ফাইল অথবা ফোল্ডার পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড রাখুন কোন সফটওয়্যার ছাড়াই

অনেক সময় আমরা আমাদের বিভিন্য ব্যক্তিগত ফাইল অথবা ফোল্ডার অন্য দের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখতে চাই, আর এ জন্য আমরা বিভিন্ন জটিল অপশন এর ফোল্ডার হাইড অথবা ফোল্ডার পাসওয়ার্ড সফটওয়্যার ব্যবহার করি যেগুলোতে ঝামেলা অনেক বেশি আর জটিল অপশন সমৃদ্ধ। আমরা চাইলে একটি ছোট্ট সাধারন ট্রিক্সের মাধ্যমে এ কাজটি কোন সফটওয়্যার এর সাহায্য ছাড়াই করতে পারি।এতে যেমন বাঁচবে আমাদের সময় ঠিক তেমনি বাঁচবে কম্পিউটার এর মূল্যবান RAM চলুন দেখা যাক।
১. আপনি যে ফাইল অথবা ফোল্ডারে পাসওয়ার্ড দিতে চান সেটির উপর রাইট ক্লিক করুন এবং “Send to Compressed(zipped) Folder” ক্লিক করুন।
২. দেখবেন যে আপনার ফাইল অথবা ফোল্ডারটি zipped folder এ পরিনত হয়েছে।
৩. এবার আপনার কাংখিত ফাইল অথবা ফোল্ডারটির উপর রাইট ক্লিক করুন এবং open with, compressed (zipped) Folder এর মাধ্যমে ওপেন করুন।
৪. এবার স্ক্রিনের ফাঁকা যায়গায় রাইট ক্লিক করুন এবং Add password সিলেক্ট করুন।
৫. আপনার পাসওয়ার্ড সেট করুন এবং বের হয়ে আসুন।
৬. এবার জিপ ফাইলটিকে Extract করুন,দেখবেন password চাইছে। Password দিয়ে Ok করুন।
৭. ব্যস পেয়ে গেলেন আপনার কাংখিত ফাইল অথবা ফোল্ডারটি। আপনার প্রয়োজনীয় কাজ শেষে পাসওয়ার্ড প্রটেক্টেড জিপ ফাইল অথবা ফোল্ডারটি রেখে আনজিপ ফাইল অথবা ফোল্ডারটি ডিলিট করে দিন। বাড়তি নিরাপত্তার জন্য জিপ ফাইল অথবা ফোল্ডারটির এক্সটেনশন চেঞ্জ করে দিন।
তাহলে কেউ বুঝতে পারবে না যে এটি একটি জিপ ফাইল। আবার মেইন ফাইলটির দরকার হলে এক্সটেনশন .mp3 থেকে .zip করে নিন এবং আগের পদ্ধতি অনুসরন করুন।
Read More

কম্পিউটারের কিছু জানা-অজানা তথ্য যা অবশ্যই জেনে রাখা উচিত (অবশ্যই দেখবেন ১০০% কাজে দিবে গ্যারান্টি)

সবাই আমার সালাম নিবেন। আশা করি আল্লাহ্‌র কৃপায় সবাই ভালো আছেন !!!!!!! আজ আমি কোন টিপস শেয়ার করব না। আজ আমি কম্পিউটারের এমন কিছু তথ্য আপনাদের সাথে শেয়ার করব যা প্রত্যেকের জেনে রাখা উচিত। তথ্য গুলো খুবই কাজের। অনেকের এ তথ্যগুলো জানা থাকতে পারে। আবার অনেকে জানেন না। যারা জানেন না তাদের জন্য আমার এই টিউন। যারা কম্পিউটারে নতুন + এ তথ্যগুলো জানেন না তাদের আশা করি এ তথ্যগুলো ১০০% কাজে লাগবে। তাহলে চলুন আর কথ্য না বাড়িয়ে আমরা এই জটিল তথ্য গুলো জেনে নেই।
কম্পিউটার গ্রাফিক্স কি ?
কম্পিউটার এর মনিটরে অস্থায়ীভাবে বর্ণ, সংখ্যা, বিশেষ ধরনের অক্ষর, ছবি, চিত্র ইত্যাদিকে কম্পিউটার গ্রাফিক্স বলে।
Pixel কাকে বলে ?
কম্পিউটারের স্ক্রিনে আমরা যে ছবি দেখি তা অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আলোক বিন্দু নিয়ে গঠিত। এসব আলোক বিন্দুর প্রতিটিই এক একটি Pixel|
রেজোলুশন (Resolution) কি ?
মনিটরের পর্দায় হরাইজন্টাল ও ভ্যার্টিক্যাল বরাবর মোট পিক্সেলের সংখ্যাকে রেজুলেশন বলে। প্রকৃত পক্ষে মনিটরের অনুভূমিক ও উল্লম্ব বরাবর পিক্সেলের সংখ্যাই রেজোলুশনের পরিমাপ।
গ্রাফিক্স তৈরিতে পিক্সেলের ভূমিকা কি ?
গ্রাফিক্স তৈরির ক্ষেত্রে কোন ছবি বা গ্রাফিক্সের পিক্সেল সংখ্যা যত বেশি হবে ছবিটি দেখতে তত বেশি সুন্দর, সুস্পষ্ট, আকর্ষণীয়, জীবন্ত ও বাস্তব প্রকৃতির হবে। বিপরীতক্রমে পিক্সেল সংখ্যা কম হলে ছবিটি দেখতে ঝাপসা ও অস্পষ্ট দেখা যাবে।
ডাটা (Data) কি ?
ডাটার আভিধানিক অর্থ হল উপাত্ত। সাধারণ অর্থে ডাটা বলতে কোন কিছুর মান (Value) অথবা দলীয় মানকে বুঝায়।
মেমোরি কি ?
যে যন্ত্রাংশের মাধ্যমে তথ্য উপাত্ত, ছবি, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে কম্পিউটারের ভাষায় মেমোরি বা স্মৃতি বলে।
মেমোরির প্রকারভেদ
মেমোরি সাধারণ ২ প্রকার।
(১) প্রাইমারী মেমোরি (মেইন মেমোরি)
(২) সেকেন্ডারী মেমোরি (সহায়ক মেমোরি)
(১) প্রাইমারী মেমোরি (মেইন মেমোরি): কম্পিউটারের সিপিইউ এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে স্মৃতি চলমান প্রোগ্রাম, ডাটা, নির্দেশ হিসেবের ফলাফল ইত্যাদি সংরক্ষণ করে তাকে প্রাইমারী মেমোরি (মেইন মেমোরি) বলে। যেমন: র‌্যাম, রম।
প্রাইমারী মেমোরি (মেইন মেমোরি) আবার ২ প্রকার।
(ক) র‌্যাম (RAM): র‌্যাম (RAM) কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী মেমোরি যার ডাটা কম্পিউটার বন্ধ হলে বা বিদ্যুৎ চলে গেলে ডিলেট হয়ে যায়।
(খ) রম (ROM): কম্পিউটারের একটি স্থায়ী মেমোরি যার ডাটা কম্পিউটার বন্ধ হলে বা বিদ্যুৎ চলে গেলেও ডিলেট হয়ে যায় না।
(২) সেকেন্ডারী মেমোরি (সহায়ক মেমোরি): কম্পিউটারের যে স্মৃতি ব্যবস্থার সাথে সিপিইউ এর প্রত্যক্ষ সংযোগ থাকে না কিন্তু অধিক পরিমান তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে রাখতে যে স্মৃতি ব্যবস্থা তাকে সেকেন্ডারী মেমোরি (সহায়ক মেমোরি) বলে। যেমন: হার্ড ডিক্স, ফ্লপি ডিক্স, সিডি ইত্যাদি।
সেকেন্ডারী মেমোরি (সহায়ক মেমোরি) আবার ৪ প্রকার
(ক) H.D.D (হার্ড wW•): হার্ড ডিক্স কম্পিউটারের একটি বৃহৎ ষ্টোরেজ ডিভাইস। হার্ড ডিক্সে অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার থাকে এবং সকল সফটওয়্যার গুলোও হার্ড ডিক্সে ইন্সষ্টল করা থাকে। খুব দ্রুত ফাইল সংরক্ষণ করে এবং স্থায়ী মেমোরি।
(খ) F.D.D: সহজে বহন যোগ্য এক প্রকার মেমোরি। যা দ্বারা কম্পিউটারের ডাটা, প্রোগ্রাম, সফটওয়্যার ইত্যাদি এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে অতি সহজে স্থানান্তর করা যায়।
(গ) CD/DVD: সহজে বহন যোগ্য এক প্রকার মেমোরি। যাতে অডিও, ভিডিও, ছবি, ফাইল, সফটওয়্যার ইত্যাদি সব কিছুই রাখা যায় এবং প্রয়োজনের সময় তা ব্যবহার করা যায়।
(ঘ) Pen Drive: পেনড্রাইভ হচ্ছে সহজে বহন যোগ্য এক প্রকার মেমোরি। যাতে অডিও, ভিডিও, ছবি, ফাইল, সফটওয়্যার ইত্যাদি সব কিছুই রাখা যায় এবং প্রয়োজনের সময় তা ব্যবহার করা যায়। বলতে পারে প্রায় CD/DVD এর মতই।
স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা
কম্পিউটারের স্মৃতির ধারণ ক্ষমতার পরিমাপের একক হিসেব বিট শব্দটি ব্যবহৃত হয়। বাইনারি b¤^i পদ্ধতিতে অংক ০ এবং ১ কে বিট বলে।
৮ বিট = ১ বাইট
১০২৪ বাইট = ১ কিলো বাইট
১০২৪ মেগাবইট = ১ গিগা বাইট
১০২৪ গিগা বাইট = ১ টেরা বাইট
১০২৪ টেরা বাইট = ১ সেজা বাইট
সবাইকে অসংখ্যা ধন্যবাদ
{সমাপ্ত}
Read More

ফোল্ডার শেয়ার করুন পিসি টু পিসি

ফোল্ডার শেয়ার অনেক নিয়মে করা যাই।তবে আজ একটা নিয়ম শেয়ার করব।এটি আসলে কম্পিউটার নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য।যারা এক্সপার্ট তারা তো অনেক জানেন তাদের কাজ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে আমারও আপ্নারা আমার ভুল ধরিয়ে দিলে অনেক খুশি হব।এবার কাজের কথা আসি প্রথমে লোকাল এরিয়া কানেকশন থাকা লাগবে। যে ফোল্ডারটিকে শেয়ার করতে চান সে ফোল্ডাররের ওপর রাইট বাটন ক্লিক করে প্রোপার্টিসে ক্লিক করুন। নিচের মত উইন্ডো আসবে।

চিত্র - ১
এখন sharing অপশনে ক্লিক করুন তারপর যে উইন্ডো সেখানে Advanced sharing ক্লিক করুন।

চিত্র - ২
এরপর share this folder option এ ক্লিক করে apply and ok তে করুন।
যে পিসি তে শেয়ার করতে চান।সে পিসি তে গিয়ে start button থেকে Run এ গিয়ে ঐ পিসির আইপি লিখুন। ঠিক এরকম \\192.168.0.0 (লোকাল আইপি) লিখে ইন্টার চাপুন।

চিত্র - ৩
username and password দিয়ে ok  দিন এখন দেখুন ফোল্ডারটি চলে আসছে। ওপেন করে কপি করুন।

ধন্যবাদ সবাই কে ভুল হলে ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন এবং ভুল ধরিয়ে দিবেন খুশি হব।
Read More

Saturday, November 24, 2012

ফ্রী ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি এর মালিক হন ফ্রী তে!!!

স্বাগতম , আশা করি সবাই ভাল আছেন ।

           সাইট টেস্টিং এর ক্ষেত্রে বা নতুন রা সাইট তৈরির ক্ষেত্রে প্রায়শই দেখা যায় ফ্রী হোস্টিং এর ব্যাবহার । আশে পাশে আছে বিভিন্ন নাম করা ফ্রী হোস্টিং কোম্পানি যেমনঃ ডিএইচ মারট, 1freehosting, 2freehosting, x10 , my5gb  আর কত কি ? কেমন হবে যদি আপনার ও থাকে একটা ফ্রী হোস্টিং কোম্পানি ! সাথে আর থাকবেঃ  প্রত্যেক অ্যাকাউন্ট এর সাথে ১০ জিবি ডিস্ক স্পেস , ১০০ জিবি ব্যান্ডউইথ, মাই এসকিউএল সহ সব  ! 

এবার চলুন মাত্র কয়েক ক্লিক এই তৈরি করে ফেলিঃ
স্টেপ ১ -

আপনার ডোমেইন এর কন্ট্রোল প্যানেল এ যান । ( ফ্রী ডোমেইন ও ব্যাবহার করতে পারেন যেমন ডট টিকে )
তারপর নিচের ইমেজ টির মত ডিএনএস আপডেট করুন । যেমন আমার ডোমেইন টির নামঃ  TH3-ANiK.TK
তাই আমার নেমসারভার হবে  : ns1.th3-anik.tk & ns2.th3-anik.tk এবং আইপি হবেঃ 209.190.16.82 ও 209.190.16.83
hjgj [টিউটোরিয়াল]  ফ্রী ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি এর মালিক হন ফ্রী তে!!!
এবার সেভ করে লগআউট করুন । আপনি প্রথম স্টেপ শেষ করলেন icon biggrin [টিউটোরিয়াল]  ফ্রী ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি এর মালিক হন ফ্রী তে!!!
স্টেপ ২ –

এবার এই সাইট এ যানঃ ক্লিক করে নিন এখানে 
তারপর অ্যাপ্লাই ফর্ম আসবে নিচের মত । ইনফো গুলো পুরন করুন ।
dd [টিউটোরিয়াল]  ফ্রী ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি এর মালিক হন ফ্রী তে!!!
তারপর  ”I have set my name servers and want to create a free reseller!” এ ক্লিক করুন ।
এবার হয়ে গেলো স্টেপ ২ ও শেষ icon biggrin [টিউটোরিয়াল]  ফ্রী ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি এর মালিক হন ফ্রী তে!!! । এবার ঘণ্টা খানেক অপেক্ষা করুন । আপনার ইমেইল এ ইনফর্মেশন এসে ।

স্টেপ – ৩

আপনার ইমেইল চেক করুন তাহলে এমন একটা ইমেইল পাবেনঃ
djfk [টিউটোরিয়াল]  ফ্রী ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি এর মালিক হন ফ্রী তে!!!
এবার আপনার ডোমেইন ভিজিত করুন এরকম আসবেঃ
dggdf [টিউটোরিয়াল]  ফ্রী ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি এর মালিক হন ফ্রী তে!!!
অর্থাৎ আপনার ফ্রী ওয়েব হস্তিং তৈরি হয়ে গেছে !! মিষ্টি খাওয়াতে ভুলবেন না ।

ভাল থাকুন । ধন্যবাদ ।
Read More

Friday, November 23, 2012

আর্টিকেল রাইটিং (Article Writing) এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে আয় করুন


ইন্টারনেটে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আর্টিকেল রাইটিং (Article Writing) এর প্রচুর কাজ পাওয়া যায়। আর্টিকেল রাইটিং (Article Writing) এর কাজ করার বড় সুবিধা হল যে, এই কাজের রেট মোটামুটি ভাল এবং এই কাজ করার জন্য দক্ষ প্রতিযোগি কম ফলে সহজেই বিভিন্ন ফ্রীলানন্সিং মার্কেটপ্লেসে বিড করলেই এই কাজ পাওয়া যায়। নিচে আর্টিকেল রাইটিং পদ্ধতি এবং আর্টিকেল রাইটিং এর বিভিন্ন দিক সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হল।

Buyer এর requirement:
   Ø আর্টিকেল অবশ্যই Unique হতে হবে।
   Ø আর্টিকেল Copyscape passed হতে হবে (plagiarism pass)।
   Ø Article must be Suitable to read.
   Ø SEO Friendly আর্টিকেল হতে হবে।
   Ø আর্টিকেলের Keyword Density 2-4 % হতে হবে। Buyer চাইলে keyword গুলোকে bold / Italic করে দেখাতে হবে।
   Ø Paragraph/Article size 200-300 অথবা 400-500 word হতে হবে।
   Ø আর্টিকেলে অবশ্যই Title দিতে হবে। Buyer যদি Subtitle চায় তাহলে তাও দিতে হবে। যেমনঃ গরুর রচনায় TITLE হল “গরু” আর SUB-TITLE হল “সুচনা, বর্ণনা, উপকারিতা, উপসংহার” ইত্যাদি।


প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারঃ
   Ø Dupe free Pro software.
   Ø Word web.
   Ø Note pad.
   Ø MS Word.
   Ø File Format Converter.


কার্যপদ্ধতিঃ

ধাপ-১: Buyer যে subject এর জন্য Article লিখতে বলবে প্রথমেই সেই Subject/Article এর Keyword দিয়ে Google(www.google.com) এ search দিতে হবে। সেখান থেকে একটি ভালমানের Article নিয়ে Notepad এ রাখতে হবে।

গুগল ছাড়াও আরও অন্যান্য ওয়েবসাইটে উন্নত মানের আর্টিকেল পাওয়া যায়। যেমনঃ
   v http://ezinearticles.com
   v http://articlesfactory.com
   v http://www.article-generator.com

ধাপ-২: এখন Notepad থেকে Article টিকে নিয়ে এই ওয়েবসাইট (www.freearticlespinner.com) থেকে স্পিন করতে হবে। স্পিন করলে আর্টিকেল 50% Unique হবে আর 50% Duplicate থাকবে অর্থাৎ অর্ধেক Unique হবে আর অর্ধেক Duplicate থাকবে।

বি.দ্রঃ www.freearticlespinner.com ওয়েবসাইটটি ছাড়াও আরও বিভিন্ন ওয়েবসাইট রয়েছে যারা আর্টিকেল স্পিন করে দেয়। এছাড়াও আর্টিকেল স্পিন করার জন্য ইন্টারনেটে অনেক ফ্রী সফটওয়্যারও পাওয়া যায়।

ধাপ-৩: এখন Dupe free Pro Software এর Article-1 অংশে মূল Search দেয়া Article টিকে এবং Article-2 অংশে স্পিন করা Article টিকে রেখে [ Compare ] অংশে Click করতে হবে এবং প্রতিবারে এই [ Compare ] অংশে ক্লিক করে দেখতে হবে যে 0% Duplicate হয়েছে কিনা। Word Web সফটওয়্যারের সাহায্যে Synonym পরিবর্তনের মাধ্যমে Article টিকে 0% Duplicate করতে হবে। এজন্য Color দিয়ে Mark করা অংশে Ctrl+Right Mouse Click করলে অনেক গুলো Synonym আসবে, সেখান থেকে সঠিক Word নির্বাচন করে 0% Duplicate করতে হবে। আর্টিকেল ইউনিক করার পাশে পাশে খেয়াল রাখতে হবে যেন আর্টিকেলটি সহজে পড়া যায়।

ধাপ-৪: এবার 0% duplicate করা Article টিকে নিয়ে www.gramarly.com website এ গিয়ে Article টির grammar + Uniqueness check করতে হবে।

 এছাড়াও আরও অন্যান্য ওয়েবসাইটের মাধ্যমে Grammar এবং Uniqueness বা Plagiarism বা Duplicate content check করা যায়। যেমনঃ
   v www.gramarly.com
   v www.spellchecker.com
   v www.spellcheckplus.com
   v www.copyscape.com
   v www.plagiarismchecker.com
   v www.searchenginereports.net/articlecheck.aspx

ধাপ-৫: Buyer চাহিদা অনুযায়ী আর্টিকেল তৈরি হয়ে গেলে অবশেষে Notepad, MS Word বা PDF ফাইলে করে আর্টিকেলটি Send করতে হবে। যদি অনেক গুলো আর্টিকেল হয় তাহলে একটি ফোল্ডারে সব আর্টিকেল রেখে জীপ (ZIP) সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফোল্ডারকে জীপ করে Buyer কে সেন্ড করতে হবে।


vØ একটি আর্টিকেলকে Search করে এনে স্পিন, ডুপি-ফ্রি এবং ওয়ার্ড-ওয়েব সফটওয়্যার এর মাধ্যমে Unique আর্টিকেল তৈরি করা হয়। তারপর বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আর্টিকেলের গ্রামার এবং ইউনিকনেস চেক করা হয়। একটি আর্টিকেল এর সঠিক কী-ওয়ার্ড, আর্টিকেলের টাইটেল + সাব-টাইটেল, কী-ওয়ার্ড ডেনসিটি, ইউনিকনেস এবং আর্টিকেলটি সহজে পড়া গেলে তা User Friendly & SEO Friendly আর্টিকেলে রূপান্তরিত হয়।



যে কোন ধরনের তথ্য / অনুসন্ধানের জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
আপনার উন্নতি ও সফলতাই আমাদের একান্ত কাম্য।

 *** ধন্যবাদ ***
Read More

Wednesday, November 21, 2012

Microsoft Word এর কিছু শর্টকাট

Alt+0131= ƒ (টাকা)
Alt+0165= ¥ (ইয়েন)
Alt+0177= ± (যোগবিয়োগ)
Alt+0215= × (গুণ)
Alt+Ctrl+T= ™ (ট্রেডমার্ক)
Alt+ Ctrl+R= ® (রেজিষ্টার্ড)
Alt+0163= £ (লীরা)
Alt+0128= € (পাউন্ড)
Alt+0247= ÷ (ভাগ)
Alt+248/0186= º (ফারেনহাইট)
Ctrl + A = সিলেক্ট অল।
Ctrl + B = টেক্সট বোল্ড।
Ctrl + C = কোন কিছু কপি করা।
Ctrl + D = ফন্ট পরিবর্তনের ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করা।
Ctrl + E = সেন্টার এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + F = কোন শব্দ খোঁজা বা প্রতিস্থাপন করা।
Ctrl + G = গো টু কমান্ড।
Ctrl + H = রিপ্লেস কমান্ড।
Ctrl + I = টেক্সট ইটালিক।
Ctrl + J = টেক্সট জাস্টিফাইড এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + K = হাইপারলিংক তৈরী করা।
Ctrl + L = টেক্সট লেফট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + M = ইনভেন্ট দেয়ার জন্য।
Ctrl + N = নতুন কোন ডকুমেন্ট খোলার জন্য।
Ctrl + O = পূর্বে তৈরী করা কোন ফাইল খোলার জন্য।
Ctrl + P = ডকুমেন্ট প্রিন্ট।
Ctrl + Q = প্যারাগ্রাফের মাঝে স্পেসিং করার জন্য।
Ctrl + R = টেক্সটকে রাইট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + S = ফাইল সেভ।
Ctrl + T = ইনডেন্ট পরিবর্তন করার জন্য।
Ctrl + U = টেক্সট আন্ডারলাইন।
Ctrl + V = টেক্সট পেষ্ট করার জন্য।
Ctrl + W = ফাইল বন্ধ করার জন্য।
Ctrl + X = ডকুমেন্ট থেকে কিছু কাট্ করার জন্য।
Ctrl + Y = রিপিট করার জন্য।
Ctrl + Z = আন্ডু বা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে
Read More

Friday, November 16, 2012

কোন প্রকার সফটওয়ার ছারাই পরিবর্তন করুন আপনার ফোল্ডার এর অথবা পেন ড্রাইভ এর Background!







প্রথমে আপনি যান :
১:- Start Menu< > All Programs< > Accessories< > Notepad
নোটপ্যাডে ছোট্ট একটি কোড ব্যাবহার করে আপনি আপনার কম্পিউটারের Local Disk এর Background ও ফোল্ডারের Text এর কালার পরিবর্তন করতে পারেন
২. নোটপ্যাড ওপেন করুন।
৩. এখানে দেয়া কোড গুলো সম্পূর্ন কপি করে নোটপ্যাড এ পেস্ট করুন
[{BE098140-A513-11D0-A3A4-00C04FD706EC}]
Attributes=1
IconArea_Image=background.jpg
IconArea_Text=0xFFFFFF
(এখানে শেষের 0xFFFFFF আংশ টুকু নিজের পছন্দ মত বেছে নিন আর্থাৎ
0xCC0099 = Violet ,0x9900FF = pink ,0×000000 = black , 0xFF3300 = blue , 0x33CC00 = green , ] রং নিয়ে আরও গবেষনা করতে পারেন )
৪. এবার File টি Desktop.ini নামে save as করুন।save as type এ all file দেখিয়ে দিন ।
৫. আপনি যে Local Disk বা পেনড্রাইবের Background ও ফোল্ডারের Text কালার পরিবর্তন করতে চান তা ওপন করুন।
৬. সেখানে একটি New Folder নিন এবং তা Background নামে rename করুন ।
৭. এবার Background যে ছবি টা রাখতে চান সেটিও Background নামে রিনেইম করুন ।
৮. Desktop.ini নোটপ্যাড file টি Background নামের ছবিটি এবং Background নামের ফাইল টি Local Disk বা পেনড্রাইব উপর কপি- পেস্ট করুন ।
৯. Desktop.ini নোটপ্যাড file ,Folder , ছবি প্রত্যকেটির উপর রাইট ক্লিক করে প্রপার্টিজে গিয়ে Read only , Hidden মার্ক করে ok করুন ।
১০. রিফ্রেশ করুন অথবা উইন্ডোটি বন্ধ করে চালু করুন ..
Read More

টরেন্ট ফাইল ডাউনলোড করেন নতুন ডাউনলোডার দিয়ে

আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম নতুন টরেন্ট ফাইল ডাউনলোডার। Tixati নামক একটি টরেন্ট ডাউনলোডার। চমৎকার স্পীডে ডাউনলোড করা যায় এবং ব্যবহার করাও খুব সহজ।আরও উন্নত , আরও হবে দ্রুত গতিতে ডাউনলোড ।


কি কি সুবিধা থাকছে এতে

* detailed views of all aspects of the swarm, including peers, pieces, files, and trackers
* support for magnet links, so no need to download .torrent files if a simple magnet-link is available
* super-efficient peer choking/unchoking algorithms ensure the fastest downloads
* peer connection encryption for added security
* full DHT (Distributed Hash Table) implementation for trackerless torrents, including detailed message traffic graphs and customizable event logging
* advanced bandwidth charting of overall traffic and per-transfer traffic, with separate classification of protocol and file bytes, and with separate classification of outbound traffic for trading and seeding
* highly flexible bandwidth throttling, including trading/seeding proportion adjustment and adjustable priority for individual transfers and peers
* bitfield graphs that show the completeness of all downloaded files, what pieces other peers have available, and the health of the overall swarm
* customizable event logging for each download, and individual event logs for all peers within the swarm
* expert local file management functions which allow you to move files to a different partition even while downloading is still in progress
* 100% compatible with the BitTorrent protocol
* Windows and Linux-GTK native versions available

এটা পোর্টেবল তাই ইন্সটলের কোন ঝামেলা নেই , শুধু ডাউনলোড করেন আর রান করেন কাজ শেষ । :D

ডাউনলোড লিংক > http://www.tixati.com/download/portable.html
Read More

Windows এর ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ Run Command

 

Windows এর ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ Run Command


০১. ফোল্ডার প্রপার্টিস = Control Folder
০2. ফন্টস = control fonts
০৩. ফন্টস ফোল্ডার = fonts
০৪. গেম কন্ট্রোলস = joy.cpl
০৫. গ্রুপ পলিসি এডিটর = gpedit.msc
০৬. হেল্প এন্ড সাপোর্ট = helpctr
০৭. হাইপার টার্মিনাল = hypertrm
০৮. Word প্যাড = write
০৯. উইন্ডোস এক্সপি টুর = tourstart
১০. উইন্ডোস ভার্শন = winver
১১. উইন্ডোস মেসেঞ্জার = wsmsgs
১২. উইন্ডোস মিডিয়া প্লেয়ার = wmplayer
১৩. উইন্ডোস মেনেজমেন্ট = wmimgmt.msc
১৪. উইন্ডোস ফায়ারওইয়াল = firewall.cpl
১৫. Windows এক্সপ্লোরার = explorer
১৬. টাস্ক মেনেজার = taslmgr
১৭. টিসিপি টেস্টার = tcptest
১৮. ইউটিলিটি মেনেজার = utilman
১৯. উইন্ডোস এড্রেস বুক = wab
২০. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার = iexplore
২১. ক্যালকুলেটর = calc
২২. কমান্ড প্রোম্পট = cmd
২৩. কন্ট্রোল প্যানেল = control
২৪. এডমিনিস্ট্রাটিভ টুলস = control admin tools
২৫. ডিস্ক ক্লিনাপ = cleanmgr
২৬. ডিস্ক পার্টিশন মেনেজার = diskpart
২৭. ডিক্স মেনেজমেন্ট = diskmgmmt.msc
২৮. ডিভাইস মেনেজার =devmgmt.msc
২৯. ইউজার একাউন্ট = control userpasswords2
৩০. ডিস্ক চেক = chkdsk
৩১. ডিসপ্লে প্রপারটিজ = control desktop
৩২. ইন্টারনেট প্রপারতিজ = inetcpl.cpl
৩৩. উইন্ডোস লগ অফ = logoff
৩৫. মাইক্রোসফট চ্যাট = winchat
৩৬. উইন্ডোস মুভি মেকার = moviemk
৩৭. মাইক্রোসফট পেইন্ট = mspaint
৩৮. কীবোর্ড প্রপারটিজ = control keyboard
৩৯. মাউস প্রোপার্টিজ = control mouse
৪০. নেট মিটিং = conf
৪১. নোটপ্যাড = notepad
৪২. নেটওয়ার্ক কানেকশন = netsetup.cpl
৪৩. অবজেক্ট পেজ মেকার = packager
৪৪. লোকাল সিকিউরিটি সেটীংস = secpol.msc
৪৫. সার্ভিসেস = services.msc
৪৬. রেজিস্যট্রি এডিটর = regedit
৪৭. রিমোট ডেস্কটপ = mstsc
৪৮. প্রিন্টার এন্ড ফ্যাক্স = control printers
৪৯. পাওয়ার কনফিগারেশন = powercfg.cpl
৫০. ফোন ডায়ালার = dialer

 

০১. ফোল্ডার প্রপার্টিস = Control Folder
০2. ফন্টস = control fonts
০৩. ফন্টস ফোল্ডার = fonts
০৪. গেম কন্ট্রোলস = joy.cpl
০৫. গ্রুপ পলিসি এডিটর = gpedit.msc
০৬. হেল্প এন্ড সাপোর্ট = helpctr
০৭. হাইপার টার্মিনাল = hypertrm
০৮. Word প্যাড = write
০৯. উইন্ডোস এক্সপি টুর = tourstart
১০. উইন্ডোস ভার্শন = winver
১১. উইন্ডোস মেসেঞ্জার = wsmsgs
১২. উইন্ডোস মিডিয়া প্লেয়ার = wmplayer
১৩. উইন্ডোস মেনেজমেন্ট = wmimgmt.msc
১৪. উইন্ডোস ফায়ারওইয়াল = firewall.cpl
১৫. Windows এক্সপ্লোরার = explorer
১৬. টাস্ক মেনেজার = taslmgr
১৭. টিসিপি টেস্টার = tcptest
১৮. ইউটিলিটি মেনেজার = utilman
১৯. উইন্ডোস এড্রেস বুক = wab
২০. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার = iexplore
২১. ক্যালকুলেটর = calc
২২. কমান্ড প্রোম্পট = cmd
২৩. কন্ট্রোল প্যানেল = control
২৪. এডমিনিস্ট্রাটিভ টুলস = control admin tools
২৫. ডিস্ক ক্লিনাপ = cleanmgr
২৬. ডিস্ক পার্টিশন মেনেজার = diskpart
২৭. ডিক্স মেনেজমেন্ট = diskmgmmt.msc
২৮. ডিভাইস মেনেজার =devmgmt.msc
২৯. ইউজার একাউন্ট = control userpasswords2
৩০. ডিস্ক চেক = chkdsk
৩১. ডিসপ্লে প্রপারটিজ = control desktop
৩২. ইন্টারনেট প্রপারতিজ = inetcpl.cpl
৩৩. উইন্ডোস লগ অফ = logoff
৩৫. মাইক্রোসফট চ্যাট = winchat
৩৬. উইন্ডোস মুভি মেকার = moviemk
৩৭. মাইক্রোসফট পেইন্ট = mspaint
৩৮. কীবোর্ড প্রপারটিজ = control keyboard
৩৯. মাউস প্রোপার্টিজ = control mouse
৪০. নেট মিটিং = conf
৪১. নোটপ্যাড = notepad
৪২. নেটওয়ার্ক কানেকশন = netsetup.cpl
৪৩. অবজেক্ট পেজ মেকার = packager
৪৪. লোকাল সিকিউরিটি সেটীংস = secpol.msc
৪৫. সার্ভিসেস = services.msc
৪৬. রেজিস্যট্রি এডিটর = regedit
৪৭. রিমোট ডেস্কটপ = mstsc
৪৮. প্রিন্টার এন্ড ফ্যাক্স = control printers
৪৯. পাওয়ার কনফিগারেশন = powercfg.cpl
৫০. ফোন ডায়ালার = dialer

Read More

Thursday, November 8, 2012

চলুন তৈরি করি নিজের একটি ফ্রি wordpress ব্লগ Part :5

কেমন আছেন সবার প্রিতি ও ভালবাসা নিয়ে শুরু করছি আমার আজকের part 5। আজ আপনাদের দেখানো হবে কিভাবে wordpress install করতে হয়।কেনানা গত পর্বে বলে ছিলাম আপনাদের wordpress install করতে দেখনো হবে । কেন wordpress install করব তা জানতে আপনা part 1 দেখতে পারেন। যা হক চলুন দেখেনেই কিভাবে install করবেন।

আর যারা english wordpress install করতে চান তারা এখান থেকে download করে নিন

আমি বলি সবাই বাংলাট download করেন কেননা এটা শিখার জন্য যখন আপনারা নিজে নিজে wordpress install করতে পারবেন তখ english টা ডাউনলোড করে নিতে পারে তবে এটা আপনার ইচ্ছা। এবং আমার পরবর্তি লেখাগুলো থাকবে বাংলা wordpress উপর তবে english wordpress কে ও পরে বাংলা করা যায়। তাহলে আর কথা না বারিয়ে চলু install করি wordpress তৈরি করে ফেলি নিজের ব্লগ।
প্রতমে এখানে ক্লিক করে user and password দিয়ে log in করুন।



তার পর file Manager open করুন।



তার পর আপনার dot.tk domain সিলেট করে go তে ক্লিক করুন।




নিচের চিত্রে দেখানো মত সব ফাইল ডিলেট করে ফেলুন।




তার পর upload এ ক্লিক করুন।




তার পর Browse এ ক্লিক করুন।




তার পর bangla wordpress টি ক্লিক করে open করুন। যেটি এখান থেকে ডাউনলোড করেছেন।




তার পর upload শুরু হবে। upload শেষ না হওয়া পরয়ন্ত অপেক্ষা করুন।



আপলোড শেষ হয়ে গেলে ঐ পেজটি কেটে দিয়ে আগের পেজটি রিলোড দিন।



তার পর ফাইলটি সিলেট করে Extract এ ক্লিক করুন।



তার পর extract files এ ক্লিক করুন।



তার পর close এ ক্লিক করুন। তার পর reload দেন দেখবেন সব ফাইল এশে গেছে।




তার পর আপনার dot.tk domin open করুন দেখবেন নিচের মত একটি page আসবে । তার পর Run the install এ ক্লিক করুন।





তার পর আপনার database এ user and password দিন নিচের ছবিটি একবার দেখেনিন।





তার পর নিচের চিত্রে মত আপনার ব্লগ এর নাম admin user and password and email দেন তার পর ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল করুন এ ক্লিক করুন।





তার পর একটি কনফ্রাম মেসেজ আসবে নিচের মত তার পর প্রবেশ এ ক্লিক করুন ।




আপনার admin user and password দিয়ে প্রবেশ এ ক্লিক করুন।




তার পর আপনি আপনার admin panel দেখতে পারবেন।



আপনার dot.tk ডোমাইন দিয়ে বিজিট করুন দেখবেন নিচের ছবির মত আপনার ব্লগ আসবে।



সবাইকে আবার ভালথাকার কথা বলে আমার আজকের পাট শেষ করলাম আবার দেখা হবে । লেখাটি ভাল লাগলে কমেন্ট করবেন।
Read More

চলুন তৈরি করি নিজের একটি ফ্রি wordpress ব্লগ Part :4

কেমন আছেন সবাই। আসাকরি অনেক ভাল আছেন। এটা “চলুন তৈরি করি cpanel এ নিজের একটি ফ্রি wordpress ব্লগ” ৪র্থ পাট। আজ আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে আপনার wordpress ব্লগ এর জন্য একটি database তৈরি করবেন। কেনানা database ছারা আপনি wordpress install করতে পরবেন না। তাহলে চলুন দেখে নেই কিভাবে তৈরি করবেন database
প্রথমে http://a.free.hostzilla.ws/cpanel এই link এ ক্লিক করে আপনার cpanel user and password দিয়ে নগ ইন করুন।



তার পর mySQL Database wizard এ ক্লিক করুন।



তার পর নিচের দেখানো চিত্রের অনুশারে কাজ গুলো করুন।



আমি এখানে 01 ব্যবহার করেছি আপনারা ইচ্ছা করলে আপনার মন মত দিতে পারেন তবে এটি আপনাকে মনে রাখতে হবে।



এখানে আগের মত 01 ব্যবহার করেছি আপনার আগের যা দিয়ে ছেন এখানে সেটাই দেন এবং password দেন এই passowrd আপনাকে মনে রাখতে হবে।



এখানে সব গুলো mark করে দিয়ে next step এ ক্লিক করুন ব্যাস কাজ শেষ এখন নিচের চিত্রের মত একটি পেজ আসবে তার পর home এ ক্লিক করে আথবা log off করে দিন।



আজ দেখালাম database তৈরি এবং আগামি পর্বে থাকবে wordpress install এবং আপনার ব্লগ তৈরি। সে পর্যন্ত ভাল থাকবেন।
Read More

চলুন তৈরি করি নিজের একটি ফ্রি wordpress ব্লগ Part :3

কেমন আছেন সবাই আপনাদের দোআ এবং ভালবাসা নিয়ে সুরু করছি আমার চলুন তৈরি করি cpanel এ নিজের একটি ফ্রি wordpress ব্লগ part :3। 2য় part এ দেখিয়ে ছিলাম .tk domain রেজেষ্টেশন এবং আজ দেখাব কিভাবে আপনার domain hosting এ add করবেন। তাহলে চলুন দেখি 3য় part আপনাদের জন্য কি আছে।
প্রথমে এখাণে ক্লিক করুন
এবং এখান থেকে file টি download করুন
তাহলে নিচের ছবির মত একটি page আসবে। ছবিতে দেখান মত কাজ করে আর হ্যা এখানে top লেবেল domain name দেন কেননা এটি ফ্রি domin নেয়না। কোন ভয় নাই আমরা পরে .tk domain add করে দিব। আপনার domin name দেওয়া হলে click to continue তে ক্লিক করুন



তারপর proceed to checkout >> এ ক্লিক করুন।




তার পর আপনার প্রজনিয় তথ্যাদিয়ে ফরমটি পুরন করুন নিচের ছবির মত তার পর complete order এ ক্লিক করুন।


আপনি সঠিক ভাবে সবকিছু করতে পারলে নিচের ছবির মত একটি পেজ আসবে। তার পর log off করে দিন



এভার যে ইমেল দিয়ে hosting রেজিষ্টেশন করছেন সেই ইমেল একাউন্ট টি log in করলে দেখবেন ৩টি ইমেল এসেছে।নিচের মত। এবং য়ে ইমেল এ পাশে cloud hosting details লেখা আছে সেটি অপেন করুন।



অপেন করার পর দেখবেন নিচের মত আপনার ইমেইল এর মধ্যে cpanel এর user and password দেওয়া আছে কি মজা তাই না।



যে লিংটিতে লাল দাগ দেওয়া আছে সেটি অপেন করুন। এবং নিচের চিত্রের মত user and password দেন।


 
log in করার পর নিচের ছবির মত page আসবে এবং ছবিতে দেখান মত কাজ করুন।


no দেওয়ার পর যদি কো problem হয় তাহলে home এ ক্লিক করুন।তার পর domin মেনু থেকে addon domins এ ক্লিক করুন।



নিচের ছবির মত আপনার .tk domin name দিন এবং password দিন। তার পর add domin এ ক্লিক করুন।



তারপর নিচের ছবির মত একটি page আসবে। file manager এ ক্লিক করুন।



তার পর নিচের ছবিতে দেখানো upload এ ক্লিক করুন।



তার পর browse এ ক্লিক করুন এবং আমার দেওয়া ফাইলটি আপলোড করুন।



আপলোড complete হলে আপনার website এর লিংটি দিয়ে বিজিট করুন তাহলে নিচের মত আপনার সাইটি দেখাযাবে।



সারা সরি দেখার জন্য আমার লিংটি দেখুন cpanelblog.tk
সবাই ভাল থাকবেন আগামি পর্বে দেখানো হবে wordpress install সেই পর্যন্ত সবাই ভাল থাকবেণ।
Read More

Total Pageviews

Powered by Blogger.

© iটিউটোরিয়ালবিডি, AllRightsReserved.

Designed by AllForBlogspot