Sunday, November 25, 2012

দরকার নেই অ্যান্টিভাইরাস। অ্যান্টিভাইরাস ছাড়া কম্পিউটার ব্যবহার

আজকাল এ্যান্টিভাইরাস ছাড়া কোন কম্পিউটার কল্পনা করা যায় না। কিন্তু এই এ্যন্টিভাইরাস গুলোর আছে অনেক সমস্যা। প্রায় সব কয়টি এন্টিভাইরাসই কম্পিউটারের স্পীড কিছুটা হলেও স্লো করে দেয়। আবার এদেরকে নিয়মিত ইন্টারনেট হতে আপডেট দিতে হয়। আবার এদের আছে ফুলভার্সন, হাফভার্সন, ক্রাক, কি-জেন কত কি। কি দরকার এত ঝামেলা। তাহলে এখন থেকে ঝামেলা ছাড়াই ব্যবহার করুন আপনার প্রিয় কম্পিউটারটি।
আসলে আমি এখানে ডিপফ্রিজ নিয়ে কথা বলব, যা এমনি একটি সফটওয়ার যার মাধ্যমে উইন্ডোজ নিরাপদ থাকবে ১০০%। কম্পিউটারের স্পীড কখনোই স্লো হবে না। এ ছাড়া ডিপফ্রিজ থাকলে ভাইরাস স্ক্যান করার ঝামেলাও থাকে না।

ডিপফ্রিজ কিভাবে কাজ করে?: ডিপফ্রিজ ইন্সট্রলের পর আপনি যদি কম্পিউটারে কোন ফাইল সেভ করে রিস্টার্ট দেন তাহলে সে ফাইলটি আর থাকবে না। কম্পিউটারে জমা আছে এমন কোনো ফাইল ডিলিট করে রিস্টার্ট করলে সে ফাইলটি আবার ফিরে পাওয়া যাবে। এক কথায় ডিপফ্রিজ করার পরবর্তী অবস্থায় কম্পিউটারের যতকিছুই পরিবর্তন করুন না কেন, রিস্টার্ট করার পর কম্পিউটার আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। এ কারণে কম্পিউটার চালু আবস্থায় যদি কখনো ভাইরাস ঢুকে পড়ে রিস্টার্ট করার পর সেটি আর থাকে না!

ডিপফ্রিজ সেটআপ প্রণালিঃ যে ড্রাইভে উইন্ডোজ সেটআপ করা আছে সে ড্রাইভে ডিপফ্রিজ সেটআপ করুন অর্থাৎ সি ড্রাইভে ইন্সটল করুন।
কম্পিউটার নতুন করে সেটআপ সহ সকল প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইন্সটল দেবার পর ডিপফ্রিজ সেটআপ করে নেয়া ভাল। ডিপফ্রিজ সেটআপ করার সময় কম্পিউটারের সব কয়টি ড্রাইভ (C drive, D drive, E driver…) টিক চিহ্ন সহকারে দেখা যাবে। কম্পিউটারের যে ড্রাইভে উইন্ডোজ setup করা আছে সে ড্রাইভ ছাড়া বাকী ড্রাইভগুলোর টিক চিহ্ন সরিয়ে দিয়ে সেট আপ কমপ্লিট করুন। এতে সুবিধা হবে এই যে, যে ড্রাইভ গুলো আপনি টিক চিহ্ন দিবেন না সেগুলোতে ডিপফ্রিজ এ্যাকটিভেট হবে না। ফলে আপনি সি ড্রাইভ বাদে সকল ড্রাইভে যেকোন ফাইল সেভ করতে পারবেন। ফাইল সেভ করার প্রয়োজনা না হলে (যেমনঃ অফিসের পিসির বা সাইবার ক্যাফের জন্য) সব কয়টি পার্টিশানে ডিপফ্রিজ সেটাপ করতে পারেন।
সেট আপ শেষ করার সাথে সাথে কম্পিউটার রিস্টার্ট হবে। রিস্টার্ট হবার পর একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। Ok করে পাসওয়ার্ড দিয়ে লক করুন।

ডিপফ্রিজ সেটআপ করার পর সেটিকে আর রিমুভ করা যাবে না। তাই সেটাপ করার আগে ভাল করে এর ব্যবহার জেনে নিন। প্রয়োজনে আপনি ডিপফ্রিজ ওপেন করে প্রয়োজনীয় ফাইল সেভ আথবা সেটাপ করতে পারেন অথবা যে ড্রাইভে ফ্রিজ করা নেই সে ড্রইভে প্রয়োজনীয় ফাইল সেভ করতে পারেন।
সিফট কী চেপে ধরে টাস্কবারে ডিপফ্রিজ এর আইকনে ক্লিক করুন। একটি ডায়ালগ বক্স আসবে। পাসওয়ার্ড দিয়ে ok করুন।
Boot thawed সিলেক্ট করে দু’বার ok করে রিস্টার্ট করুন।
প্রয়োজনীয় ফাইল সেটাপ অথবা সেভ করে আগের নিয়মে ডিপফ্রিজ ওপেন করে frozen সিলেক্ট করুন। রিস্টার্ট করার পর কম্পিউটার আবার ফ্রিজ অবস্থায় ফিরে আসবে।
ডিপফ্রিজ ওপেন করার পর যে সমস্ত ফাইল সেভ করতে চান সেগুলোতে যদি ভাইরাস থাকে তাহলে ডিপফ্রিজ ব্যবহার করে কোন লাভ হবে না। কোন ফাইল সেভ করতে চাইলে সেটিকে এন্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করে ভাইরাস রিমুভ করে নিন। এর একটা বিশেষ সুবিধা হলো যে কিছু কিছু ট্রায়াল সফটওয়ার আছে যেগুলোক ১ সপ্তাহ, ১০ দিন, ২০ দিন, ১ মাস পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। ঐ সব সফ্টওয়ার সেট আপ করার পর ডিপফ্রিজ করলে সেটিকে সব সময় ব্যবহার করা যাবে। ডাউনলোড DeepFreeze 5.০ ফুল ভার্সন। আর আমি এটি সাফল্যের সাথে উইন্ডোজ এক্সপি ও উইন্ডোজ 7 অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করছি। অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমে ট্রাই করি নাই।

0 comments:

Post a Comment

Total Pageviews

Powered by Blogger.

© iটিউটোরিয়ালবিডি, AllRightsReserved.

Designed by AllForBlogspot